General Knowledge in Bengali 2024 with Answers

General Knowledge in Bengali 2024 with Answers: হ্যালো ফ্রেন্ডস, আমরা এই ব্লগ পোস্টে বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের পরিচিতি জানবো। বিদেশী সাহিত্যে এনসাইক্লোপিডিয়া বা সাধারণ কোষগ্রন্থের অভাব নেই। সে কথা মাথায় রেখে আমাদের এই পর্ব টি শুরু করা হলো। এ ছাড়াও ছোটদের মনের চাহিদা মেটাতে আর জ্ঞানের স্পৃহা পূর্ণ করার জন্য এখানে ইতিহাসের বিখ্যাত ব্যক্তি, ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের, বিখ্যাত মনীষীদের জীবনকাল নিয়ে “কে ছিলে” আকারে প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো। আপনি যদি আপনার জ্ঞানের ভিত্তি শক্তিশালী করতে চান এবং বিভিন্ন বিষয়ে আরও জানতে চান, তাহলে এই ব্লগ পোস্টটি আপনার জন্য।

General Knowledge in Bengali 2024 with Answers

অশোক কে ছিলেন?

সম্রাট অশোক ছিলেন ভারতবর্ষের মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট। তাঁর রাজত্বকাল খ্রীষ্টপূর্ব ২৭৩-২৩৬ অব্দ। সম্রাট অশোক ছিলেন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজাপালক সম্রাট। তাঁর পিতা ছিলেন বিন্দুসার। কলিঙ্গ যুদ্ধে এক লক্ষ মানুষের মৃত্যুতে ব্যথিত সম্রাট অশোক অহিংসা অবলম্বন করে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে ব্রতী হন। সুমাত্রা, বোর্নিও, সিংহল দেশেও তিনি বুদ্ধের বাণী প্রচার করেন।

অলবিরুনী কে?

অলবিরুনী ছিলেন গজনীর সুলতান মামুদের রাজসভার এক মনীষী। তিনি ভারতবর্ষে আগমন করে সংস্কৃত ও হিন্দুদর্শন শিক্ষা করেন। তাঁর রচিত ‘তহকক্- ই-হিন্দ’-এ ভারতীয় দর্শন, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, রসায়ন ইত্যাদি সম্বন্ধে প্রচুর তথ্য ছিল। অলবিরুনী ছিলেন পারসিক। তিনি ভারতবর্ষের একটি ইতিহাস ‘তারীখ-উল- হিন্দ’ রচনাও করেছিলেন। তাঁর জীবনকাল ৯৭৩-১০৪৮ খ্রীষ্টাব্দ।

অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান কে ছিলেন?

অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি পণ্ডিত। তিনিই সর্বপ্রথম দুর্গম হিমালয় পার হয়ে তিব্বতে যান। পরে সেখানেই তাঁর দেহান্তর ঘটে। তিনি বিক্রমশীলা মহাবিহারের অধ্যক্ষ ছিলেন। আচার্য শীলভদ্রের কাছে তাঁর দীক্ষালাভ হয়। তাঁর জীবনকাল ৭৭০-৮৪০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে।

অমৃতা শেরগিল কে?

অমৃতা শেরগিল আধুনিক ভারতীয় চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন। তাঁর শিল্প শিক্ষা প্যারী শহরে। তাঁর মা ছিলেন হাঙ্গেরীয়, বাবা ভারতীয় শিখ। তাঁর জীবনকাল ১৯১৩-১৯৪১।

অসকার ওয়াইল্ড কে?

অসকার ওয়াইল্ড ছিলেন ইংরেজ নাট্যকার, কবি ও ঔপন্যাসিক। তাঁর জীবনকাল ১৮৫৪-১৯০০। জন্ম আয়ারল্যান্ডে। ওয়াইল্ডের রচনার মধ্যে বিখ্যাত ‘সালোম’। এ ছাড়া তাঁর ছোট গল্পের মধ্যে ‘হ্যাপী প্রিন্স’ আর ‘দি সেলফ্টস্ জায়েন্ট’ খুব বিখ্যাত। তাঁর অন্য রচনা হল ‘দি পিকচার অব ডোরিয়ান গ্রে’, ‘দি ইমপরট্যান্স অব বিয়িং আর্নেস্ট’।

অটো ফন বিসমার্ক কে?

অটো ফন বিসমার্ক ছিলেন প্রুশো-জার্মান কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক নেতা। জীবনকাল ১৮১৫-১৮৯৮। তিনিই জার্মানীকে ঐক্যবদ্ধ করেন ও ধুরন্ধর কূটনীতিক হিসেবে খ্যাত হন।

অগাসিজ কে ছিলেন?

অগাসিজ ছিলেন সুইশ প্রকৃতিবিদ। জীবনকাল ১৮০৭-৭৩। জীবাশ্ম নিয়ে তিনি গবেষণা চালান ও ডারউইনের মতবাদের বিরোধিতা করেন।

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে?

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের সন্তান ও যশস্বী শিল্পী ও সাহিত্যিক। জন্ম ১৮৭১ ও মৃত্যু ১৯৫১ সালে। তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ভ্রাতুষ্পুত্র। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ক্ষীরের পুতুল’, ‘রাজকাহিনী’, ‘বুড়ো আংলা’ ‘বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী’ ইত্যাদি।

অরবিন্দ ঘোষ কে ছিলেন?

অরবিন্দ ঘোষ ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় রাজনৈতিক নেতা, স্বাধীনতা সংগ্রামী, যোগী ও দার্শনিক। তাঁর জন্ম ১৮৭২ সালের ১৫ই আগষ্ট এবং মৃত্যু হয় ১৯৫০ সালে। ১৮৯০ সালে তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ১৯০৮ সালে তিনি আলিপুর বোমার মামলায় ধৃত হন। পরে রাজনীতি ত্যাগ করে অরবিন্দ পণ্ডিচেরীতে যোগ সাধনায় ব্রতী হয়ে দেশবাসীর কাছে ঋষি অরবিন্দ নামে খ্যাত হন। তাঁর শ্রেষ্ঠ দার্শনিক গ্রন্থের নাম ‘দি লাইফ ডিভাইন’।

অয়লার কে ছিলেন?

অয়লার ছিলেন একজন সুইজারল্যান্ডবাসী বিখ্যাত গণিতজ্ঞ। তাঁর জীবনকাল ১৭০৭-৮৩ সাল। অয়লারের আবিষ্কৃত ‘অয়লার সিরিজ’ গণিতশাস্ত্রে বিখ্যাত।

অটোহান কে?

অটোহান একজন জার্মান বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৮৭৯- ১৯৬৮। ইউরেনিয়াম ‘ফিসন’ তাঁরই আবিষ্কার। পরমাণু বোমা তাঁরই কৃতিত্বে তৈরি হয়।

অশোককুমার কে?

অশোককুমার ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক বিশিষ্ট শিল্পী। প্রথম নায়ক হিসেবে অংশ নেন ‘জীবন নাইয়া’তে। এখনও অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে চলেছেন। জন্ম ১৯১১ সালে। তাঁর ও দেবিকারাণির ছবি ‘অচ্ছুৎ কন্যা’ বিখ্যাত।

অমিতাভ বচ্চন কে?

অমিতাভ বচ্চন, ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক জনপ্রিয় ও সফলতম অভিনেতা। তাঁকে বলা হয় সিনেমার অর্থাৎ রূপালি পর্দার সুপারস্টার। জন্ম ১৯৪৫ সালের ১১ই অক্টোবর। তাঁর অভিনীত বিখ্যাত ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘শোলে’, ‘মুকদ্দর কা সিকন্দর’, ‘সিলসিলা’ ইত্যাদি। অমিতাভ বচ্চনের ‘অ্যাংরি ইয়ংম্যান ইমেজ’ তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তুলে দেয়। অল্প সময়ের জন্য তিনি রাজনীতিতেও আসেন।

আর্কিমিডিস কে ছিলেন?

আর্কিমিডিস ছিলেন গ্রীসের বিখ্যাত গণিতজ্ঞ ও বিজ্ঞানী। তাঁর জীবনকাল ছিল খ্রীষ্টপূর্ব ২৮৭ থেকে ২১২ অব্দ। আর্কিমিডিসের জন্ম সিরাকিউজে। নানা গাণিতিক সূত্র আর বস্তুর ‘আপেক্ষিক গুরুত্ব’ তাঁর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার। এক রোমান সৈনিকের হাতে তিনি নিহত হন।

অ্যারিস্টট্ল কে?

অ্যারিস্টট্ল ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক। তাঁর জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৩৮৭-৩২২। তিনি ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক প্লেটোর ছাত্র। আবার অ্যারিস্টলের ছাত্র ছিলেন গ্রীক সম্রাট আলেকজান্ডার। অ্যারিস্টট্ল ছিলেন বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন। তাঁর বিখ্যাত বই ‘অর্গ্যানন’।

অ্যানাক্সাগোরাস কে?

অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন একজন গ্রীক দার্শনিক। বিজ্ঞানেও তাঁর দক্ষতা ছিল। তাঁর জীবনকাল ছিল খ্রীষ্টপূর্ব ৪৮৮-৪২৪ অব্দ। পরমাণু বা অ্যাটমের ধারণা তাঁর মাথাতেই প্রথম খেলেছিল।

অ্যাভোগ্যাড্রো কে ছিলেন?

অ্যাভোগ্যাড্রো ছিলেন ইতালীয় পদার্থবিদ। তাঁর পুরো নাম অ্যামেদিও অ্যাভোগ্যাড্রো। জন্ম ১৭৭৬ সালের ৯ই জুন। মৃত্যু ১৮৫৬ সালে। অ্যাভোগ্যাড্রো প্রমাণ করেন চাপ ও তাপমাত্রা সমান থাকলে সমপরিমাণ গ্যাসে অণুর সংখ্যা সমান। এটি অ্যাভোগ্যাড্রোর সূত্র নামে বিখ্যাত।

আইজ্যাক নিউটন কে?

আইজ্যাক নিউটন ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ বিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ। জীবনকাল ১৬৪২-১৭২৭। শোনা যায়, মাথায় একটা আপেল পতনের ফলেই তিনি মাধ্যাকর্ষণের সূত্র আবিষ্কার করেন। তাঁর বিখ্যাত বইয়ের নাম ‘প্রিন্সিপিয়া’।

আর্যভট্ট কে?

আর্যভট্ট ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ। তাঁর বাসস্থান ছিল কুসুমপুর (পাটনা)। আর্যভট্টই প্রথম দিনরাত্রি ভেদের কারণ নির্ণয় করেছিলেন। এটাই ছিল আহ্নিক গতি। গণিতে বর্গমূল নির্ণয় পদ্ধতিও তিনি ব্যাখ্যা করেন। গণিতে ‘পাই (π)’-এর মান যে ৩.১৪১৬ সেটা আর্যভট্টই প্রমাণ করেন।

অ্যালফ্রেড দি গ্রেট কে?

অ্যালফ্রেড দি গ্রেট ছিলেন ইংল্যান্ডের ওয়েসেক্সের রাজা। জীবনকাল ৮৪৯-৯০০ খ্রীষ্টাব্দ। ইংল্যান্ড থেকে ডেন আক্রমণকারীদের তিনি বিতাড়িত করেন।

আলেকজান্ডার দি গ্রেট কে ছিলেন?

আলেকজান্ডার ছিলেন গ্রীসের ম্যাসিডোনিয়ার সম্রাট। তাঁর জীবনকাল ৩৫৬-৩২৩ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ। ৩২৭ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে তিনি ভারতবর্ষ আক্রমণ করেছিলেন। তাঁর শিক্ষাগুরু ছিলেন অ্যারিস্টট্ল। আলেকজান্ডার ছিলেন বিশ্ববিজয়ী বীর। ব্যাবিলন শহরে তাঁর মৃত্যু হয়।

অ্যালফ্রেড টেনিসন কে ছিলেন?

অ্যালফ্রেড টেনিসন ছিলেন ইংরাজী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি। জীবনকাল ১৮০৯-১৮৯২। তাঁর বিখ্যাত রচনার মধ্যে আছে ‘এনখ আর্ডেন’, ‘আইডিলস অব দি কিং’ ইত্যাদি।

আমুন্ডসেন কে?

আমুন্ডসেন ছিলেন নরওয়ের বিখ্যাত ভূ-পর্যটক ও আবিষ্কারক। তাঁর জীবনকাল ১৮৭২-১৯২৮। আমুন্ডসেনই সর্বপ্রথম দক্ষিণ মেরুতে উপস্থিত হন ১৯১১ সালে।

আমেরিগো ভেস্পুচি কে?

আমেরিগো ভেস্পুচি ছিলেন একজন ইতালীয় দেশ আবিষ্কারক। ভেস্পুচিই আমেরিকা আবিষ্কার করেন। জীবনকাল ১৪৫১-১৫১২ খ্রীষ্টাব্দ। তাঁর নামেই মহাদেশের নামকরণ আমেরিকা হয়।

আকবর কে ছিলেন?

সম্রাট আকবর ছিলেন ভারতে মোগল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট। তিনিই মোগল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট। তাঁর রাজত্বকাল ১৫৪২-১৬০৫ খ্রীষ্টাব্দ। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে প্রজাপালনই তাঁর নীতি ছিল। ‘দিন ইলাহী’ নামে এক নতুন ধর্মমতও তিনি প্রচার করেন। আকবর নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্যতম এক শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় সম্রাট।

আবুল ফজল কে?

আবুল ফজল ছিলেন মুঘল যুগের শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক ও পণ্ডিত। তিনি মোগল সম্রাট আকবরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর জীবনকাল ১৫৫১-১৬০২ খ্রীষ্টাব্দ। তাঁর রচিত বিখ্যাত বই হল ‘আইন-ই-আকবরী’ ও ‘আকবর নামা’।

আব্রাহাম লিঙ্কন কে ছিলেন?

আব্রাহাম লিঙ্কন ছিলেন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮০৯ সালে। তিনি ১৮৬১-৬৫ প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁরই সময়ে আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ দেখা দেয়। লিঙ্কন এক নাট্যশালায় বুথ নামে জনৈক আততায়ীর গুলিতে ১৮৬৫ সালে নিহত হন।। তিনিই দাস প্রথা বন্ধ করেন।

অ্যালবার্ট স্বোয়াইৎজার কে?

অ্যালবার্ট স্বোয়াইৎজার একজন মহান মানবপ্রেমিক অরণ্যবাসী দার্শনিক। তাঁর জন্ম হয় ১৮৭৫ সালের ১৪ই জানুয়ারী জার্মানীতে। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে তিনি সঙ্গীত, ধর্মতত্ত্ব আর দর্শনে ডক্টরেট হন, পরে চিকিৎসাবিদ্যাতেও ‘ডক্টর অব মেডিসিন’ হন। এরপর মানুষের সেবাব্রত নিয়ে দুর্গম আফ্রিকায় হাসপাতাল গড়ে তোলেন। ১৯৫৩ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৬৫ সালে।

আমীর খসরু কে ছিলেন?

আমীর খসরু ছিলেন ফারসী ভাষার ভারতীয় কবি। তিনি একজন খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞও ছিলেন। তাঁর রচিত বই ছিল ‘মৎলা-উল-আনওয়ার’, ‘শিরিন-উ-খুসরৌ’, ‘মজনুন-উল-লায়লা’। জীবনকাল ১২৫৩-১৩২৫ খ্রীষ্টাব্দ। সেতার যন্ত্র তাঁরই আবিষ্কার। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও আলাউদ্দীন খলজির সভাসদ।

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কে ছিলেন?

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ছিলেন একজন বিশ্ববিশ্রুত মানবদরদী বিজ্ঞানী। তাঁর আপেক্ষিকতার সূত্র অবলম্বন করেই আবিষ্কার করা হয় পরমাণু বোমা। আইনস্টাইন জাতিতে ছিলেন জার্মান ইহুদী। তাঁর জন্ম ১৮৭৯ সালে। ইহুদী ও যুদ্ধবিরোধী হওয়ায় তিনি নাৎসী জার্মানীর বিরাগভাজন হন আর ১৯৩৪ সালে আমেরিকা চলে যান। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৫৫ সালে। তিনি নোবেল পুরস্কার পান ১৯২১ সালে। তাঁর বিখ্যাত সূত্র হল E=mc².

আনাতোল ফাঁস কে?

আনাতোল ফ্রাঁস ছিলেন ফরাসী ঔপন্যাসিক ও সমালোচক। তাঁর রচিত গ্রন্থ হল ‘থেইস’, ‘মাদার অব পার্ল’, ‘পেঙ্গুইন আইল্যান্ড’ ইত্যাদি। ১৯২৪ সালে ৮১ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।

অ্যারিস্টোফেনিস কে?

অ্যারিস্টোফেনিস ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘আর্খানেন’, ‘ওর্নিথেস’ ইত্যাদি। তাঁর মোট রচনা চল্লিশটি। জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৪৫৫-৩৮৫ অব্দ।

আলেকজান্ডার পুশকিন কে ছিলেন?

আলেকজান্ডার পুশকিন ছিলেন বিখ্যাত রুশ কবি। জীবনকাল ১৭৯৯-১৮৩৭ খ্রীষ্টাব্দ। তাঁর বিখ্যাত কাহিনীর নাম ‘কুইন অব স্পেডস্’।

অ্যালফ্রেড বার্নার্ড নোবেল কে?

অ্যালফ্রেড বার্নার্ড নোবেল ছিলেন একজন সুইডিশ বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক। তাঁর জন্ম ১৮৩৩ সালে। নানারকম বিস্ফোরক নিয়ে তিনি গবেষণা করতেন। নাইট্রোগ্লিসিরিন নামক বিস্ফোরক থেকে এইভাবেই তিনি আবিষ্কার করেন ডিনামাইট। তিনি তাঁর সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ বিশ্ব শান্তি স্থাপনে দান করে যান। ওই অর্থের সুদ থেকেই সাহিত্য, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, চিকিৎসাশাস্ত্র ও শান্তির জন্য দেওয়া হয় নোবেল পুরস্কার। নোবেল মারা যান ১৮৯৬ সালে।

আইভ্যান বুনিন কে?

আইভ্যান বুনিন ছিলেন রুশ কবি ও ঔপন্যাসিক। জীবনকাল ১৮৭০-১৯৫৩। রুশ সাহিত্যে তিনিই প্রথম নোবেল পুরস্কার পান।

আর্থার কোনান ডয়েল কে ছিলেন?

আর্থার কোনান ডয়েল ইংল্যান্ডের একজন চিকিৎসক ছিলেন। পরে তিনি গোয়েন্দা সাহিত্য সৃষ্টিতে মন দেন। গোয়েন্দা কাহিনীকে তিনি করে তোলেন সাহিত্য। তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র শার্লক হোমস অমরত্ব লাভ করেছে। তাঁর বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে ‘অ্যাডভেঞ্চার্স অব শার্লক হোমস’, ‘হাউন্ড অব বাস্কারভিল’, ‘এ স্টাডি ইন স্কারলেট’ ইত্যাদি অসংখ্য কাহিনী। তাঁর জীবনকাল ১৮৫৯-১৯৩০ সাল। গোয়েন্দা কাহিনী ছাড়াও ডয়েল ঐতিহাসিক কাহিনীও রচনা করেছেন। বিজ্ঞানভিত্তিক কাহিনী হিসেবে তাঁর ‘দি লস্ট ওয়ার্ল্ড’ বিখ্যাত।

আলফস দোদে কে?

আলফস দোদে বিখ্যাত ফরাসী সাহিত্যিক। জীবনকাল ৮৪০-৯৭। তাঁর রচনার মধ্যে বিখ্যাত হল ‘লেটার্স দ্য মন ঝুঁকা’, ‘রবাট হেলম’।

আন্দ্রে মেরী অ্যামপিয়ার কে?

আন্দ্রে মেরী অ্যামপিয়ার ছিলেন একজন ফরাসী পদার্থবিদ। তিনি আবিষ্কার করেন যে চৌম্বকত্ব আণবিক বিদ্যুৎ প্রবাহের ফল। বিদ্যুৎ প্রবাহ একক তাঁরই নামে নামাঙ্কিত হয়। জন্ম ১৭৭৫, মৃত্যু ১৮৩৬ সালে।

অ্যান্টন চেকভ কে?

অ্যান্টন চেকভ বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক। বিশ্ব সাহিত্যে তাঁর ছোট গল্প আজও অমর। জীবনকাল ১৮৬০-১৯০৪। তাঁর বিখ্যাত গল্পের নাম ‘দি বিশপ’, বিখ্যাত নাটক ‘থ্রি সিস্টার্স।

আইভ্যান সের্গেভিচ টুর্গেনিভ কে ছিলেন?

আইভ্যান সের্গেভিচ টুর্গেনিভ ছিলেন রুশ – ঔপন্যাসিক। তাঁর জীবনকাল ১৮১৮-৮৩। তাঁর বিখ্যাত বই ‘ফাদারস অ্যান্ড চিলড্রেন’।

আলেকজান্ডার ডুমা কে?

আলেকজান্ডার ডুমা ছিলেন বিখ্যাত ফরাসী ঔপন্যাসিক। জীবনকাল ১৮২৪-৯৫। তাঁর রচনার মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত হল ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’, ‘ম্যান ইন দি আয়রণ মাস্ক’ ইত্যাদি। আজও তাঁর রচনা সমান জনপ্রিয়।

আইভ্যান পেট্রোভিচ পাভলভ কে?

আইভ্যান পেট্রোভিচ পাভলভ ছিলেন একজন বিখ্যাত রুশ শরীরতত্ত্ববিদ। তাঁর জীবনকাল ১৮৪৯-১৯৩৬। তিনি নোবেল পুরস্কার পান ১৯০৪ সালে। মস্তিষ্ক ও মন সম্পর্কে তাঁর গবেষণা পাভলভকে খ্যাতি এনে দেয়।

অ্যানা পাভলোভা কে?

অ্যানা পাভলোভা ছিলেন বিখ্যাত রুশ ব্যালে নর্তকী।. জীবনকাল ১৮৮৫-১৯৩১। উদয়শঙ্কর তাঁর সঙ্গে নৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন।

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কে?

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং একজন ইংরাজ বীজাণুতত্ত্ববিদ। ১৯২৮ সালে তিনি ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ১৯৪১ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। জীবনকাল ১৮৮১-১৯৫৫।

আর্নেস্ট রাদারফোর্ড কে ছিলেন?

আর্নেস্ট রাদারফোর্ড একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী। তিনি ছিলেন স্কটল্যান্ডের মানুষ। পরমাণু ও তার কেন্দ্র সম্পর্কে রাদারফোর্ডের গবেষণা তাঁকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। ১৯০২ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। জীবনকাল ১৮৭১-১৯৩৭। বহু গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে রাদারফোর্ডের গবেষণাগার প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেছিল। বিজ্ঞানী হিসেবে তিনি অনন্য।

আইজেনস্টাইন কে?

আইজেনস্টাইন ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত রুশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক। তাঁর বিখ্যাত চলচ্চিত্র হল ‘ব্যাটলশিপ পোটেমকিন’। জীবনকাল ১৮৯৬-১৯৪৮।

আলবেয়ার কামু কে?

আলেবেয়ার কামু বিখ্যাত ফরাসী সাহিত্যিক। জন্মেছিলেন আলজিরিয়ায়। জীবনকাল ১৯১৩-৬০। তাঁর বিখ্যাত বই হল ‘দি প্লেগ’। ১৯৫৭ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে কে ছিলেন?

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে স্বনামধন্য আমেরিকান গল্পকার ও ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত বই ‘ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দি সী’-র জন্য তিনি ১৯৫৪ সালে নোবেল পুরস্কার পান। জীবনকাল, ১৮৬৬-১৯৬১। নিজেকে গুলি করে তিনি আত্মহত্যা করেন। ‘ফর হুম দি বেল টোলস’ তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস, ‘ফেয়ারওয়েল টু আর্মস’ও খ্যাতি অর্জন করে।

অ্যান্টন ভ্যান লিউয়েন হোক কে?

অ্যান্টন ভ্যান লিউয়েন হোক ছিলেন একজন খ্যাতিসম্পন্ন ডাচ প্রকৃতিবিদ। তিনিই প্রথম আতশ কাঁচের মধ্য দিয়ে জীবাণু দেখেছিলেন। তাঁর জীবনকাল ১৬৩২- ১৭২৩।

আলেকজান্দ্রা ভোল্টা কে ছিলেন?

আলেকজান্দ্রা ভোল্টা ছিলেন ইতালীয় একজন পদার্থবিদ। তিনিই প্রথম লবণ জলে দস্তা ও তামার পাতের মধ্যে তড়িৎপ্রবাহ হয় প্রমাণ করেন। তাঁরই নামে তড়িচ্চালক বলের নাম হয় ‘ভোল্ট’। তাঁর জীবনকাল ১৭৪৫-১৮২৭।

আবদাস সালাম কে?

আবদাস সালাম পাকিস্তানের একমাত্র নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানী। আবদাস সালামের জন্ম ১৯২৬ সালে। পদার্থবিজ্ঞানে অসামান্য গবেষণার জন্যই তিনি ১৯৭৯ সালে অন্য দুই বিজ্ঞানীর সঙ্গে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল পরমাণু কেন্দ্রের বল।

অ্যান্টয়েন হেনরী বেকরেল কে?

অ্যান্টয়েন হেনরী বেকরেল ছিলেন একজন ফরাসী বিজ্ঞানী ও পদার্থবিদ। ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা তিনিই আবিষ্কার করেছিলেন। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর জীবনকাল ১৮৫২-১৯৪৭।

অ্যাডলফ হিটলার কে ছিলেন?

অ্যাডলফ হিটলার ছিলেন জার্মানীর অবিসংবাদিত নাৎসী নেতা। প্রথম জীবনে তিনি শিল্পী হতে চেয়েছিলেন। ১৯৩৩ সালে তিনি ক্ষমতা লাভ করেন। সারা বিশ্বে জার্মান প্রভুত্বের আশায় তিনি পোল্যান্ড আক্রমণ করায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে। ১৯৪৫ সালে জার্মানীর পরাজয়ে তিনি ৫৬ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন সামান্য একজন কর্পোরাল। অসাধারণ ক্ষমতায় তিনি ভার্সাই চুক্তি অগ্রাহ্য করে জার্মানীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তাঁর আত্মজীবনীর নাম ‘মাইন ক্যাম্মা।

আন্তোনিয়োনি কে?

আন্তোনিয়োনি ইতালির বিশ্বখ্যাত একজন চলচ্চিত্র পরিচালক। বিশ্ব চলচ্চিত্রে তার দান অসামান্য। জন্ম ১৯১১। তার বিখ্যাত ছবি হল ‘দা নাইট’, ‘দা স্টোরি অব এ লাভ অ্যাফেয়ার’ ইত্যাদি।

অ্যালফ্রেড হিচকক কে?

অ্যালফ্রেড হিচকক হলিউডের চিত্রজগতে রহস্যচিত্র তৈরিতে সাড়া জাগানো ব্যক্তিত্ব। তাঁর বিখ্যাত ছবি হল ‘সাইকো’, ‘রিয়ার উইন্ডো’, ‘দি বার্ডস্’ ইত্যাদি। জীবনকাল ১৮৯৯-১৯৮০। রহস্য কাহিনী সঙ্কলনেও তাঁর জুড়ি ছিল না। রহস্যের মায়াজাল সৃষ্টি হিচককের অনন্য প্রতিভার নিদর্শন।

আগাথা ক্রিষ্টি কে?

আগাথা ক্রিষ্টি ইংরাজি গোয়েন্দা কাহিনী রচয়িতাদের মধ্যে মুকুটহীন রানি। তাঁর আগের নাম ছিল আগাথা মেরী ক্লারিসা মিলার। জন্ম ১৮৯১ সালে ইংল্যাণ্ডে। কোনান ডয়েলের পর তাঁর মতো এত জনপ্রিয়তা আর কেউ পাননি। তাঁর গোয়েন্দার নাম ‘এরকুল পোয়ারো’। ১৯৭৫ সালে আগাথা ক্রিষ্টি মারা যান। তাঁর বিখ্যাত বই ‘মার্ডার অব রোজার অ্যাকরয়েড’, ‘দি বিগ ফোর’ ইত্যাদি। তাঁর ‘মাউস ট্র্যাপ’ নাটকটি ব্রডওয়ে মঞ্চে ধারাবাহিক অভিনয়ে এক বিশ্ব রেকর্ড করে। মিস মার্পল, পার্কার পাইন, মিঃ কুইন ইত্যাদি গোয়েন্দা চরিত্র নিয়েও ক্রিষ্টি বহু বই রচনা করেছেন। বহুবার তাঁর বই বেস্ট সেলার হয়।

অ্যালেক্সিস ক্যারেল কে?

অ্যালেক্সিস ক্যারেল ছিলেন ফ্রান্সের একজন প্রথিতযশা চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী। মানুষের হৃৎপিণ্ড ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন সম্ভব তা পরীক্ষায় তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন। এই জন্য ১৯১২ সালে তিনি নোবেল প্রাইজ লাভ করেন। ১৯৪৪ সালে প্যারী শহরে তাঁর মৃত্যু হয়।

আউঙ্গ সান সু চি কে?

মায়নামার বা ব্রহ্মদেশের বিপ্লব বিরোধী নেত্রী আউঙ্গ সান সু চি। জন্ম ১৯৪৫। তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী। সারা জীবন তিনি গণতন্ত্রের পূজারী। পিতা ছিলেন নিহত আউঙ্গ সান।

আলেকজান্ডার আলেখিন কে?

আলেকজান্ডার আলেখিন বিশ্ববিখ্যাত দাবা খেলোয়াড়। জন্ম ১৮৯২, মৃত্যু ১৯৪৬। তিনি ১৯২৭-৩৫ ও ১৯৩৭-৪৬ দাবায় বিশ্ববিজয়ী ছিলেন। মস্কোয় জন্ম নিলেও তিনি পরে ফরাসী নাগরিক হন।

আকিরা কুরুশোয়া কে?

আকিরা কুরুশোয়া বিশ্বের অন্যতম এক শ্রেষ্ঠ চিত্র পরিচালক। জাতিতে জাপানী। কুরুশোয়ার শ্রেষ্ঠ ছবির নাম ‘রসোমন’। এ ছাড়াও ‘রেড বিয়ার্ড’ তাঁর একটি বিখ্যাত ছবি। জন্ম ১৯১০ সালে। মৃত্যু ১৯৯৮।

আলাউদ্দীন খাঁ কে ছিলেন?

আলাউদ্দীন খাঁ ভারতের একজন শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত সাধক। তাঁর জন্ম বাংলাদেশ। জন্মদিন জানা যায় না। সম্ভবত শতবর্ষের কাছাকাছি, ১৯৭২ সালে তিনি মাইহারে মারা যান।

অ্যাডাম স্মিথ কে ছিলেন?

অ্যাডাম স্মিথ ছিলেন বিখ্যাত স্কটিশ অর্থনীতিবিদ। জীবনকাল ১৭২৩-৯০। বিখ্যাত বই ‘দি ওয়েলথ অফ নেশানস’।

আর্ল স্ট্যানলী গার্ডনার কে?

আর্ল স্ট্যানলী গার্ডনার হলেন বিখ্যাত মার্কিনী রহস্য কাহিনীকার। লব্ধপ্রতিষ্ঠ আইনজ্ঞ হলেও তিনি সাহিত্য। রচনা শুরু করেন। তাঁর গোয়েন্দার নাম পেরী ম্যাসন, অ্যাটর্নী। জন্ম ১৭ই জুলাই ১৮৮৯।

ইউক্লিড কে ছিলেন?

ইউক্লিড ছিলেন খ্রীষ্টপূর্ব ৩৩০-২৭৫ অব্দের বিখ্যাত গ্রীক গণিতজ্ঞ। অঙ্কশাস্ত্রে তাঁর দান অসামান্য। তাঁর রচিত ‘এলিমেন্টস’ জ্যামিতির একটি প্রামাণ্য বই। এটিই জ্যামিতির উৎস।

ইবন বতুতা কে ছিলেন?

ইবন বতুতা ছিলেন বিখ্যাত এক আরব পর্যটক। ১৩৩৩ সালে মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে তিনি ভারতবর্ষে আসেন। তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্তের নাম ‘শফনামা’। সে যুগের অনেক অজানা তথ্য তাঁর রচনায় পাওয়া যায়।

ইউরিপাইডস কে ছিলেন?

ইউরিপাইডস হলেন খ্রীষ্টপূর্ব ৪৭৯-৪০৬ অব্দে বিখ্যাত গ্রীক নাট্যকার। তিনি প্রায় ৮০টি নাটক রচনা করেন তার মধ্যে মাত্র ১৮টি পাওয়া গেছে।

ইমানুয়েল কান্ট কে?

ইমানুয়েল কান্ট ছিলেন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক। জীবনকাল ১৭২৪-১৮০৪ সাল।

ইঙ্গেমার বার্জম্যান কে?

ইঙ্গেমার বার্জম্যান সুইডেন তথা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন চিত্র পরিচালক। তাঁর জন্ম ১৯১৮ সালে। বার্জম্যানের ছবির মধ্যে বিখ্যাত ‘দি সাইলেন্স’ ১৯৬৩ সালে আর ‘পারসোনা’ ১৯৬৬তে তোলা।

ইসাডোরা ডানকান কে?

ইসাডোরা ডানকান ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত একজন নর্তকী। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহরে ১৮৭৮ সালের ২৭শে মে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। একদিন সাগর তরঙ্গের ছন্দ থেকেই নাচের প্রেরণা গ্রহণ করে পরে নর্তকী হিসাবে তিনি সারা দুনিয়ার মানুষকে মুগ্ধ করেন। দুঃখের কথা, ১৯২৭ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর এক দুর্ঘটনায় ইসাডোরা ডানকান গাড়ির চাকায় গলার স্কার্ফ জড়িয়ে গেলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান।

ইহুদী মেনুহিন কে?

ইহুদী মেনুহিন বিখ্যাত আমেরিকান ইহুদী বেহালাবাদক। জন্ম ১৯১৬ সালে। মৃত্যু ১৯৯৯ সালে।

ইন্দিরা গান্ধী কে ছিলেন?

ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর কন্যা ও ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তাঁর জন্ম ১৯১৭ সালে। ১৯৬৬ সালে তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৭৭ সালে নির্বাচনে পরাজিত হলেও তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী হন ১৯৮০ সালে। তিনি ১৯৮৪ সালের ৩১শে অক্টোবরে তাঁর দেহরক্ষীদের হাতে নিহত হন।

ইউজিন ও ‘নীল কে?

ইউজিন ও ‘নীল ছিলেন আমেরিকান সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার। ১৮৮৮ সালের ১৬ই অক্টোবর নিউ ইয়র্ক শহরে তিনি জন্মেছিলেন। তাঁর পিতা ছিলেন বিখ্যাত অভিনেতা। জন্ম ও পারিবারিক সূত্রে ইউজিন ও ‘নীলের নাটকের প্রতি তীব্র টান ছিল। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে রয়েছে ‘আহ্, ওয়াইল্ডারনেস’, ‘বিওন্ড দা হরাইজন’ ‘ডিজায়ার আন্ডার দা এলমস্’ ইত্যাদি। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৫৩ সালের ২৭শে নভেম্বর।

ঈশপ কে?

ঈশপ ছিলেন ফ্রিজিয়ার অধিবাসী। তিনি প্রথমে ক্রীতদাস ছিলেন। লিডিয়ার রাজা ক্রোসাস তাঁকে মুক্ত করেন। ঈশপ জীবজন্তু নিয়ে অসংখ্য নীতিগল্প লেখেন। তাঁর জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৬২০-৫৬০ অব্দ।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ছিলেন?

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ভারতের একজন প্রাতঃস্মরণীয় ও মহাতেজস্বী পুরুষ। সমাজ সংস্কার, শিক্ষা বিস্তার, স্ত্রী শিক্ষা প্রসার, বিধবাবিবাহ ইত্যাদিতে তিনি প্রাণপাত করেন। তাঁর জন্ম ১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে। মৃত্যু ১৮৯১ খ্রীষ্টাব্দে। বাংলায় উপক্রমণিকা, বর্ণ পরিচয় ইত্যাদি বই ও আরও প্রচুর রচনা করে গেছেন ঈশ্বরচন্দ্র। তাঁরই চেষ্টায় বিধবাবিবাহ আইনসঙ্গত ও চালু হয়। বিধবার সঙ্গেই তিনি ছেলের বিয়ে দেন।

উইলিয়াম হার্ভে কে?

উইলিয়াম হার্ভে ছিলেন একজন ইংরাজ চিকিৎসক। হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি প্রথম আলোকপাত করেন। জীবনকাল ছিল ১৫৭৮-১৬৫৭ সাল।

উইলিয়াম ওয়ার্ডস্ট্রয়ার্থ কে?

ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন ইংরাজ কবি। তাঁর জীবনকাল ১৭৭০-১৮৫০। প্রকৃতিকে কবিতায় তিনি মূর্ত করেছিলেন।

উইলহেলম কনরাড রন্টজেন কে?

উইলহেলম কনরাড রন্টজেন একজন বিখ্যাত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৮৪৫-১৯২৩। তিনিই ক্রুকস টিউবের সাহায্যে ‘এক্সরে’ বা রঞ্জনরশ্মি আবিষ্কার করে মানব সমাজের প্রভূত উপকার করেন। দুঃখের কথা, ক্যান্সার রোগে তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯০১ সালে তিনি পদার্থবিদ্যায় প্রথম নোবেল পুরস্কার পান।

উলফগ্যাঙ মোজার্ট কে ছিলেন?

উলফগ্যাঙ মোজার্ট ছিলেন বিখ্যাত অস্ট্রিয়ান সঙ্গীত রচয়িতা ও স্বরলিপিকার। তাঁর রচিত বিখ্যাত সঙ্গীত হল. ‘দি ম্যাজিক ফ্রুট’ (১৭৭১)। তাঁর জীবনকাল ১৭৫৬- ১৭৯১।

উইলিয়াম শেকসপীয়ার কে ছিলেন?

উইলিয়াম শেকসপীয়ার ছিলেন ইংরাজী সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার। জীবনকাল ১৫৬৪-১৬১৬। তাঁর জন্ম হয় স্ট্যাটফোর্ড অন অ্যাভনে। বিখ্যাত রচনা ‘ম্যাকবেথ’, ‘ওথেলো’, ‘রোমিও জুলিয়েট’, ‘টুয়েলফথ নাইট’ ‘হ্যামলেট,’ ইত্যাদি।

উড্রো উইলসন কে?

উড্রো উইলসন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট। জীবনকাল ১৮৫৬-১৯২৪। তাঁর প্রেসিডেন্ট থাকার সময়কাল ১৯১৩-২১। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তাঁরই চেষ্টায় গঠিত হয় আন্তর্জাাতিক জাতি পরিষদ ‘লীগ অব নেশানস’।

উইনস্টন চার্চিল কে?

উইনস্টন চার্চিল ছিলেন (১৯৪০-৪৫) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি ১৯৫১-৫৫ দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন। চার্চিল ‘সাহিত্য রচনাতেও সুনাম অর্জন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস রচনা করে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। জীবনকাল ১৮৭৪-১৯৬৫।

উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস কে ছিলেন?

উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস ছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি। জীবনকাল ১৮৬৫-১৯৩৯। তিনি নোবেল পুরস্কারও লাভ করেন।

উদয়শঙ্কর কে ছিলেন?

উদয়শঙ্কর ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি তথা ভারতীয় নৃত্যশিল্পী। ভারতীয় নৃত্যকে তিনি বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেন। তাঁর জন্ম ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দে। ১৯৩১ সালে ইউরোপে তিনি প্রথম নৃত্যশিল্প প্রদর্শন করেন। তাঁর ‘শঙ্করস্কোপ’ এক অকল্পনীয় সৃষ্টি। ১৯৭৮ সালে তাঁর জীবনাবসান হয়।

এরাটোস্থিনিস কে ছিলেন?

এরাটোস্থিনিস ছিলেন (খ্রীষ্টপূর্ব ২৭৬-১৯৪ অব্দের) বিখ্যাত গ্রীক ভূ-বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ। তিনিই সর্বপ্রথম পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেছিলেন।

এডমন্ড হ্যালী কে?

এডমন্ড হ্যালী ছিলেন একজন ব্রিটিশ জ্যোতির্বিদ। তাঁর জীবনকাল ১৬৫৬-১৭৪২ সাল। তিনি যে বিখ্যাত ধূমকেতু আবিষ্কার করেছিলেন তারই নাম দেওয়া হয় ‘হ্যালীর ধূমকেতু’। হ্যালীর ধূমকেতু ৭৬ বছর অন্তর দেখা দেয় বলে হ্যালী প্রচার করেন। ধূমকেতুটি শেষ দেখা যায় ১৯১০ সালে, আবার এই ১৯৮৬ সালেও দেখা গেছে।

এডমন্ড স্পেন্সার কে ছিলেন?

এডমন্ড স্পেন্সার একজন খ্যাতিমান ইংরাজ কবি। তিনি জন্মেছিলেন ১৫৫২ সালে শেক্সপীয়ার ও মিল্টনের সমসাময়িক কালে। তাঁর মৃত্যু ১৫৯৯। বিখ্যাত রচনা ‘ফেয়ারি কুইন।’

এডুইন পিয়ারী কে?

এডুইন পিয়ারী একজন বিখ্যাত মার্কিন ভূ-আবিষ্কারক। তিনি সর্বপ্রথম সুমেরু বা উত্তর মেরুতে উপস্থিত হন। জীবনকাল ১৮৫৬-১৯২০।

এমিল জোলা কে ছিলেন?

এমিল জোলা ছিলেন বিখ্যাত ফরাসী সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮৪০-১৯০২। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে বিখ্যাত হল ‘নানা’, জার্মিনাল’ ইত্যাদি।

এডমন্ড বার্ক কে ছিলেন?

এডমন্ড বার্ক ছিলেন একজন শ্রেষ্ঠ ইংরাজ বক্তা, রাজনীতিক ও সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৭২৯-৯৭। ওয়ারেন হেস্টিংসের বিচারের সময় তাঁর বক্তব্য আজও একটি নজির।

এডওয়ার্ড জেনার কে?

এডওয়ার্ড জেনার ছিলেন মানবদরদী ইংরাজ চিকিৎসাবিজ্ঞানী। তাঁর জন্ম ১৭৪৯ সালে ইংল্যান্ডের বার্কলে শহরে। তিনি বসন্ত রোগের টীকা আবিষ্কার করে মানবসমাজের মহান উপকার করেন। তাঁর মৃত্যু হয় ১৮২৩ সালে। পৃথিবীর মানুষ আজও জেনারের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গেই উচ্চারণ করে।

এরিখ মারিয়া রেমার্ক কে?

এরিখ মারিয়া রেমার্ক ছিলেন বিখ্যাত জার্মান ঔপন্যাসিক। পরে তিনি মার্কিন নাগরিক হন। জন্ম ১৮৯৭ সালে। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হল ‘অল কোয়ায়েট অন দি ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’, ‘থ্রি কমরেডস’ ইত্যাদি।

অ্যান্ড্রু কার্নেগী কে?

অ্যান্ড্রু কার্নেগী ছিলেন মার্কিনী শিল্পপতি ও ধনী। দানের জন্য তিনি বিখ্যাত। জীবনকাল ১৮৩৫-১৯১৯।

এডগার এলান পো কে ছিলেন?

এডগার এলান পো ছিলেন বিখ্যাত আমেরিকান কবি, -সাহিত্যিক ও সমালোচক। অতিপ্রাকৃত বিষয়বস্তু নিয়ে রচিত তাঁর কাহিনী সুনাম অর্জন করেছিল। তাঁর বিখ্যাত কবিতা হল ‘দি র‍্যাভেনস্’। তাঁর গল্পের মধ্যে ‘দি গোল্ড বাগ’, ‘মার্ডার ইন দি রু মর্গ’ বিখ্যাত। তাঁর জীবনকাল ১৮০৯-৪৯। তাঁর গোয়েন্দা কাহিনীতে প্রধান গোয়েন্দা চরিত্রের নাম দুপা।

এডিথ ক্যাভেল কে ছিলেন?

এডিথ ক্যাভেল ছিলেন একজন দেশপ্রেমিকা নার্স। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংল্যান্ডের হয়ে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি জার্মানীর হাতে ধরা পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। শোনা যায় গোপনসূত্রে লেখা একখণ্ড কাগজ তিনি গিলে ফেলেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা হিসাবে তাঁর দেহ ইংল্যান্ডে পাঠানো হলে দেহ-ব্যবচ্ছেদ করে কাগজটি বের করা হয়। জীবনকাল ১৮৬৫-১৯১৫।

এমিল জেটোপেক কে?

এমিল জেটোপেক হলেন চেকোশ্লোভাকিয়ার বিশ্বজয়ী দৌড়বীর। ১৯৫২ সালের অলিম্পিক অনুষ্ঠানে (হেলসিংকি) জেটোপেক ৫০০০ ও ১০,০০০ হাজার মিটার ও ম্যারাথনে জয়ী হয়ে ‘মানব এঞ্জিন’ আখ্যা পান।

এডমন্ড হিলারী কে?

এডমন্ড হিলারী বিখ্যাত এক পর্বত অভিযাত্রী। তাঁর বাস নিউজিল্যান্ডে। তিনিই বিশ্বে সর্বপ্রথম তেনজিং নোরকের সঙ্গে এভারেস্ট শৃঙ্গ (১৯৫৩ সালের ২৯ মে তারিখে) জয় করেন তাঁর জন্ম ১৯১৯ সালে। ভারতে গঙ্গার উৎস সন্ধানে অভিযানও হিলারী পরিচালনা করেন।

এলিজাবেথ টেলর কে?

এলিজাবেথ টেলর হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত বিখ্যাত ছবি হল ‘ক্লিওপেট্রা’, ‘হু ইজ অ্যাফ্রেড অফ ভার্জিনিয়া উলফ্’ ইত্যাদি।

এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড কে?

এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ কবি। ওমর খৈয়ামের ‘রুবাই’ অনুবাদ করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। জীবনকাল ১৮০৯-৮৩।

এডওয়ার্ড লীয়র কে ছিলেন?

এডওয়ার্ড লীয়র ছিলেন একজন প্রখ্যাত রস সাহিত্যিক ও শিল্পী। নানা ধরনের কার্টুন ছবি ও ছড়া রচনায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। পাঁচ লাইনের লিমেরিক ছড়ায় তিনি অসামান্য খ্যাতি অর্জন করেন। লীয়রের নাম অনুসারেই ‘লিমেরিক’ নামকরণ হয়েছে। তার জন্ম ইংল্যান্ডে ১৮১২ সালে। মৃত্যু ১৮৮৮ সালে। লীয়রের ছড়া খুবই জনপ্রিয়।

ওমর খৈয়াম কে?

ওমর খৈয়াম ছিলেন পারস্যের লোক। তিনি প্রথমে ছিলেন গণিতজ্ঞ। বীজগণিতের একটি বইও রচনা করেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানেও তাঁর জ্ঞান ছিল। পরে তিনি কবিতা রচনা শুরু করে পাঁচশো ‘রুবাই’ রচনা করেন। এইগুলিই ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম’ নামে বিখ্যাত। তাঁর জীবনকাল ছিল ১০৫০-১১২৩ খ্রীষ্টাব্দ। ওমরের জন্ম হয় খোরাসানে।

ওয়াল্টার স্কট কে ছিলেন?

ওয়াল্টার স্কট ছিলেন বিখ্যাত স্কটিশ কবি ও ঔপন্যাসিক। তাঁর জীবনকাল ১৭৭১-১৮৩২। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘আইভ্যান হো’।

ওয়াল্ট হুইটম্যান কে?

ওয়াল্ট হুইটম্যান ছিলেন বিখ্যাত মার্কিন কবি। জীবনকাল ১৮১৯-৯২। তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘লীভস্ অব গ্রাস’।

ওয়াল্ট ডিজনী কে?

ওয়াল্ট ডিজনী একজন বিখ্যাত আমেরিকান চিত্র প্রযোজক। কার্টুন ছবিকে তিনিই জনপ্রিয়তার শিখরে তোলেন। তাঁর বিখ্যাত ছবি হল ‘মিকি মাউস ও ডোনাল্ড ডাক’। হলিউডের কাছে তাঁর তৈরি ‘ডিজনীল্যান্ড’ পৃথিবী- বিখ্যাত। জীবনকাল ১৯০১-৬৬।

হেনরি কে ছিলেন?

হেনরি ছিলেন আমেরিকার ছোট গল্প লেখক। তাঁর আসল নাম উইলিয়াম সিডনী পোর্টার। ও. হেনরী লেখকের ছদ্মনাম। জীবনকাল ১৮৬২-১৯১০। ও. হেনরীর বিখ্যাত গল্প হল ‘দি লাস্ট লীফ’, ‘দি গিফট অব ম্যাজাই’ ইত্যাদি।

কনিষ্ক কে ছিলেন?

কনিষ্ক ছিলেন প্রাচীন ভারতের কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। ৭৮ খ্রীষ্টাব্দ থেকে কনিষ্ক এক নতুন অব্দের প্রচলন করেন। এই অব্দের নাম হয় ‘শকাব্দ’।

কৌটিল্য কে?

কৌটিল্য ছিলেন মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্তের মন্ত্রী ও উপদেষ্টা। তাঁর আসল নাম চাণক্য। বিষ্ণুগুপ্ত নামেও তিনি পরিচিত ছিলেন। তাঁর রচিত ‘অর্থশাস্ত্র’ রাষ্ট্রনীতির সর্বকালের একটি সেরা। তাঁর জীবনকাল সম্ভবত ৩২০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ।

কোপার্নিকাস কে ছিলেন?

কোপার্নিকাস ছিলেন পোল্যান্ডের বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ। তাঁর জীবনকাল ১৪৭৩-১৫৪৩ সাল। অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন দিনে তিনিই প্রচার করেন পৃথিবীই সূর্যের চারদিকে ঘোরে।

কনফুসিয়াস কে ছিলেন?

কনফুসিয়াস ছিলেন বিখ্যাত চৈনিক দার্শনিক ও ধর্মপ্রচারক। জীবনকাল খ্রীঃ পূঃ ৫৫১-৪৭৯।

কালিদাস কে ছিলেন?

কালিদাস বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার। তিনি ছিলেন গুপ্তসম্রাট বিক্রমাদিত্যের নবরত্ন সভার শ্রেষ্ঠ রত্ন তাঁর রচনার মধ্যে ‘মেঘদূতম্’, ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’, ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্’ বিখ্যাত। জীবনকাল খ্রীষ্ট্রীয় ৫ম শতাব্দী।

ক্লিওপেট্রা কে?

ক্লিওপেট্রা ছিলেন খ্রীষ্টপূর্ব ৬৯-৩০ অব্দে মিশরের রানি। তিনি ছিলেন অপরূপ সুন্দরী। প্রথমে তিনি রোমান সেনাপতি জুলিয়াস সীজার ও পরে মার্ক অ্যান্টনীকে বিয়ে করেন। কথিত আছে সাপের ছোবল গ্রহণ করে তিনি প্রাণত্যাগ করেন।

ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস কে ছিলেন?

ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস ছিলেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী। ১৬২৯ সালে তিনি হল্যান্ডে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। ফ্রান্সের রাজা তাঁকে ফ্রান্সে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য আমন্ত্রণ করে এনেছিলেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানে তার গবেষণা ও পরীক্ষা অমূল্য। ১৬৫৭ সালে তিনি বিশেষ ধরনের একটি ঘড়ি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন শব্দ শক্তির মত আলোক শক্তিও তরঙ্গের মাধ্যমে চলে। ১৬৯৫ সালে তাঁর জীবনাবসান হয়।

কার্ল মার্কস কে?

কার্ল মার্কস ছিলেন একজন জার্মান বিপ্লবী নেতা ও সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা। জীবনকাল ১৮১৮-৮৩। ১৮৫০ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান। আধুনিক সমাজতন্ত্র বা মার্কসবাদ তিনিই প্রচার করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম ‘দাস ক্যাপিটাল।’। তাঁর সহকারীর নাম ফ্রেডারিক এঙ্গেলস।

ক্যাপ্টেন কুক কে?

ক্যাপ্টেন কুক ছিলেন বিখ্যাত নৌ-অফিসার ও ভূ- আবিষ্কারক। জীবনকাল ১৭২৮-৭৯। তিনিই সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও কুমেরু মহাদেশ আবিষ্কার করেন।

ক্লার্ক গেবল কে?

ক্লার্ক গেবল হলিউডের বিখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত ছবির নাম ‘গন উইথ দি উইন্ড’। জীবনকাল ১৯০১-১৯৬০।

কামাল আতাতুর্ক কে?

কামাল আতাতুর্ক ছিলেন নতুন তুরস্কের স্রষ্টা। তিনি ছিলেন বিখ্যাত সমর নায়ক ও তুরস্কের প্রথম প্রেসিডেন্ট। জীবনকাল ১৮৮১-১৯৩৮। তুরস্ককে তিনি এক আদর্শ দেশে পরিণত করেছিলেন। আধুনিক তুরস্কের উন্নতি তাঁর জন্যই সম্ভব হয়।

ক্রিস্টোফার কলম্বাস কে?

ক্রিস্টোফার কলম্বাস ছিলেন ইতালীয় নাবিক। স্পেনের রাজা ফার্দিনান্দ ও রানি ইসাবেলার আনুকূল্যে তিনি সান্টামারিয়া নামের জাহাজে ভারতবর্ষের দিকে যাত্রা করে ১৪৯২ সালে আমেরিকায় উপস্থিত হন। জীবনকাল ১৪৫১-১৫০৬।

কপিলদেব নিখাঞ্জ কে?

কপিলদেব নিখাঞ্জ ভারতের শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার ক্রিকেট খেলোয়াড় ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফাস্টবোলার। কপিলদেব টেস্ট ক্রিকেট খেলায় বিশ্বে সর্বোচ্চ উইকেট দখলকারী বোলার। টেস্টম্যাচে তার মোট উইকেট সংখ্যা হল ৩৩৪। কপিলদেবের জন্ম হয় ১৯৫৯ সালের ৬ই জানুয়ারী। একদিনের ক্রিকেট খেলায় জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের খেলায় ১৭৫ নট আউট তার খেলোয়াড় জীবনে এক অনন্য নজির।

কাজী নজরুল ইসলাম কে?

নজরুল বাংলার চিরবিদ্রোহী কবি। প্রথম জীবনে তিনি সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন। তাঁর রচিত কবিতা ও গান জনপ্রিয়। তিনি তাঁর বিদ্রোহী কবিতার জন্য কারাবরণ করেন। তাঁর ভক্তিগীতি ও ছন্দময় গানের তুলনা বিরল। নজরুল অসংখ্য গানের রচয়িতা। রবীন্দ্র সংগীতের প্রায় দ্বিগুণ। তাঁর জন্ম হয় ১৮৯৯ সালে। মৃত্যু বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে। শ্রেষ্ঠ বই ‘অগ্নিবীণা’, ‘বিষের বাঁশি’।

কেনেথ অ্যান্ডারসন কে?

কেনেথ অ্যান্ডারসন একজন বিখ্যাত শিকারী। তিনি বাস করতেন বাঙ্গালোর শহরে। জন্মসূত্রে কেনেথ অ্যান্ডারসন একজন স্কচ। তাঁর জন্ম হয় ১৯১০ সালে দক্ষিণ ভারতের হায়দরাবাদে। জঙ্গল তাঁর প্রাণ আর সাধারণ অরণ্যবাসীদের প্রতি ছিল তার অপরিসীম মমতা। তিনি সারাজীবনে অসংখ্য নরখাদক বাঘ, চিতাবাঘ আর খুনী হাতি মেরেছিলেন। লেখায় তার হাত ছিল অসাধারণ। তার রচিত বইয়ের মধ্যে বিখ্যাত হল ‘নাইন ম্যান ইটারস্ অ্যান্ড ওয়ান রোগ’, ‘দিস ইজ দি জাঙ্গল’, ‘দা টাইগার রোরস্’, ‘টেলস ফ্রম ইন্ডিয়ান জাঙ্গলস’, ইত্যাদি। ১৯৭৪ সালে তার মৃত্যু হয়। তাঁকে দক্ষিণের ‘জিম করবেট’ আখ্যা দেওয়া হয়।

গ্যালেন কে ছিলেন?

গ্যালেন ছিলেন ১৩০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৯৯ খ্রীষ্টাব্দের বিখ্যাত গ্রীক চিকিৎসক। চিকিৎসাশাস্ত্রকে তিনি নতুন রূপদান করেন।

গ্যেটে কে ছিলেন?

গ্যেটে ছিলেন জার্মান কবি ও চিন্তাবিদ। তাঁর জীবনকাল ১৭৪৯-১৮৩২। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম ‘ফাউস্ট’।

গ্যারিবল্ডি কে?

গ্যারিবল্ডি ছিলেন একজন ইতালীয় সৈনিক ও দেশপ্রেমী। তিনি মাৎসিনি ও কাভুরের সঙ্গে ইতালীকে ঐক্যবদ্ধ করেন। তাঁর জীবনকাল ১৮০৭-৮২।

গৌতম বুদ্ধ কে ছিলেন?

কপিলাবস্তুর রাজা শুদ্ধধন ও রানি মায়াদেবীর সন্তান রাজপুত্র সিদ্ধার্থই পরে গৌতম বুদ্ধ নামে পরিচিত হন। মানবজীবনের দুঃখ ও যন্ত্রণা লক্ষ্য করে সংসারে বীতরাগ হয়েই সিদ্ধার্থ সংসার ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন। তার স্ত্রী ছিলেন গোপা ও পুত্র রাহুল। বোধিবৃক্ষের নিচে তিনি বুদ্ধত্ব লাভ করেন। অহিংসার পূজারী বুদ্ধদেব যে ধর্ম প্রচার করেন তারই নাম বৌদ্ধধর্ম। তাঁর জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৫৬৩-৪৮৩।

গ্রেটা গার্বো কে?

গ্রেটা গার্বো ছিলেন সুইডিশ চলচ্চিত্রাভিনেত্রী। তিনি পরে হলিউডের শ্রেষ্ঠা নায়িকা ও অতি জনপ্রিয় তারকা হন। তাঁর বিখ্যাত ছবি হল ‘অ্যানা ক্রিস্টি’, ‘মেরী ওয়েলেশকা’। তাঁর জন্ম ১৯০৫ সালে।

‘গ্রিমভাই’ কাদের নাম?

গ্রিমভাই অর্থাৎ উইলহেলম কার্ল (১৭৮৬-১৮৫৯) ও জ্যাকব লাডউইগ কার্ল (১৭৮৫-১৮৬৩) ছিলেন বিখ্যাত দুজন জার্মান রূপকথার কাহিনীকার। তাঁদের রূপকথার গল্প আজও জনপ্রিয়।

গী দ্য মোপাসা কে ছিলেন?

মোপাসা ছিলেন বিখ্যাত ফরাসী ছোট-গল্প লেখক। তাঁর গল্প আজও সারা বিশ্বে সমান জনপ্রিয়। জীবনকাল ১৮৫০-৯৩। তাঁর বিখ্যাত গল্প ‘দি নেকলেশ্’।

গ্যালিলিও গ্যালিলি কে?

গ্যালিলিও ছিলেন বিখ্যাত ইতালীয় গণিতজ্ঞ বিজ্ঞানী। তিনি পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক হন। তাঁর জন্ম ১৫৬৪ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী। তিনি দোলক ও বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ আবিষ্কার করেন। নিজের মতবাদের জন্য তাঁকে প্রায় বন্দী থাকতে হয়। ১৬৪২ সালে তাঁর প্রয়াণ ঘটে।

গুস্তাফ ফ্লবেয়ার কে?

গুস্তাফ ফ্লবেয়ার ছিলেন বিখ্যাত ফরাসী ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত বই ‘মাদাম বোভারী’। তাঁর জীবনকাল ১৮২১-৮০।

গামাল আব্দেল নাসের কে?

গামাল আব্দেল নাসের ছিলেন আধুনিক মিশর ও আরব দুনিয়ার বিশিষ্ট নেতা। ১৯৫৬ সালে তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট হন। জীবনকাল ১৯১৮-৭০।

গারফিল্ড সোবার্স কে?

গারফিল্ড সোবার্স হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার ক্রিকেট খেলোয়াড়। জন্ম ১৯৩৬। টেস্ট ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড তাঁরই ছিল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৬৫। প্রথম শত রান করতে গিয়ে তিনি ওই রান করেন। পরে তাঁর রেকর্ড ভাঙেন তাঁরই দেশের ব্রায়ান লারা ৩৭৫ নট আউট করার পর।

চরক কে ছিলেন?

চরক ছিলেন প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ চিকিৎসাশাস্ত্র বিশারদ। তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম ‘চরক সংহিতা’। তাঁর জীবনকাল ৭৮ খ্রীষ্টাব্দের কাছাকাছি।

চৈতন্য মহাপ্রভু কে ছিলেন?

শ্রীচৈতন্যদেব ছিলেন বৈষ্ণবধর্মের প্রবক্তা। তাঁর জন্ম হয় নবদ্বীপে ১৪৮৫ সালে। তাঁর মায়ের নাম শচী দেবী। তাঁর বাণী ছিল সকল মানুষকে সমানভাবে দেখা। জনশ্রুতি ৪৮ বছর বয়সে নীলাচলে তিনি দেহরক্ষা করেন। ভক্তিরসে তিনি সারা দেশকে সেদিন প্লাবিত করেন।

চার্লস ডারউইন কে?

চার্লস ডারউইন ছিলেন ইংরেজ প্রকৃতিবিদ। প্রাণী জগতের বিবর্তন নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি প্রচুর ভ্রমণ করেন। তাঁর লিখিত ‘অরিজিন অব স্পিসিস’ ১৮৫৯ সালে প্রকাশের পর আলোড়ন ওঠে। তাঁর মতে বাঁদর জাতীয় জীবই মানুষের পূর্বপুরুষ। জীবনকাল ১৮০৯-৮২।

চন্দ্রগুপ্ত কে ছিলেন?

চন্দ্রগুপ্ত ছিলেন ভারতবর্ষের মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট। তাঁর রাজত্বকাল ছিল খ্রীষ্টপূর্ব ৩২০-৩০০ অব্দ। তাঁর প্রধানমন্ত্রী ‘ছিলেন কৌটিল্য বা চাণক্য। প্রায় সমগ্র ভারত তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।

চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন কে?

চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন একজন বিখ্যাত ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৮৮৮-১৯৭০। আলোকের ক্ষেত্রে তাঁর আবিষ্কারের নাম ‘রমন এফেক্ট’। তিনি ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

চার্লস দ্য গল কে ছিলেন?

চার্লস দ্য গল ছিলেন প্রখ্যাত ফরাসী জেনারেল, রাজনীতিক আর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানী ফ্রান্স অধিকার করলে দ্য গল ইংল্যান্ডে স্বাধীন ফরাসী সরকার গঠন করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হন। তাঁরই চেষ্টায় আলজিরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। বহুবার তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টা হয়। তাঁর জন্ম হয় ১৮৯০ সালে, জীবনাবসান ১৯৭০ সালে।

চার্লস চ্যাপলিন কে?

চার্লস চ্যাপলিন চলচ্চিত্র জগতের শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান। জীবনকাল ১৮৮৯-১৯৭৭ সালে। ১৯১০ সালে ইংল্যান্ড ছেড়ে হলিউডে পাড়ি দিয়ে তিনি বহু বিখ্যাত ছবির চিত্র পরিচালনা করেন। তাঁর বিখ্যাত ছবি হল ‘দি কিড’, ‘দি গোল্ড রাশ’, ‘দি গ্রেট ডিক্টেটর’ ইত্যাদি। কাহিনীকার, পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা সব বিষয়েই অসামান্য ছিলেন চ্যাপলিন।

চার্লস ডিকেন্স কে?

চার্লস ডিকেন্স ইংরাজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮১২-৭০। তাঁর রচিত কাহিনী আজও জনপ্রিয়। তাঁর লিখিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘পিকউইক পেপারস’, ‘ডেভিড কপারফিল্ড’, ‘অলিভার টুইস্ট’ ‘গ্রেট এক্সপেক্টশন’ ইত্যাদি।

চিয়াং কাইশেক কে?

চিয়াং কাইশেক ছিলেন চীনা সেনাপতি। কুওমিন্টাং দলের প্রধান হিসেবে তিনি কমিউনিস্ট আক্রমণ প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়ে ফরমোজায় আশ্রয় নেন। জীবনকাল ১৮৮৭-১৯৭৫।

চে গুয়েভারা কে?

চে গুয়েভারা একজন বিখ্যাত বিপ্লবী। কিউবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন চে। জীবনকাল ১৯২৮-৬৭। বলিভিয়ায় গেরিলা আক্রমণ করার সময় তিনি নিহত হন।

জরথুষ্ট কে?

জরথুষ্ট ছিলেন প্রাচীন ইরানের (পারসিক) তত্ত্বজ্ঞানী মহাপুরুষ। তিনি একেশ্বরবাদ প্রচার করেন। তাঁর জীবনকাল ছিল খ্রীষ্টপূর্ব ১০০০ অব্দের আগে।

জিওফ্রে চসার কে ছিলেন?

জিওফ্রে চসার ছিলেন ‘ক্যান্টারবেরী টেলস’ রচয়িতা প্রখ্যাত ইংরাজ কবি। জীবনকাল ১৩৪০-১৪৩০।

জিওর্দানো ব্রুনো কে?

জিওর্দানো ব্রুনো একজন ইতালীয় দার্শনিক। কোপার্নিকাসের মত সমর্থন করায় তাঁকে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়। জীবনকাল ১৫৪৮-১৬০০।

জেমস জীনস কে ছিলেন?

জেমস জীনস ছিলেন একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিদ ও পদার্থবিদ। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮৭৭ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। লক্ষ লক্ষ অজ্ঞ জগৎবাসীর কাছে বিজ্ঞানের জটিলতত্ত্ব সহজে প্রাঞ্জল করে পৌঁছে দিয়েছিলেন জেমস জীনস। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৪৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।

জুলিয়াস সীজার কে?

জুলিয়াস সীজার ছিলেন খ্রীষ্টপূর্ব ১০১-৪৪ অব্দে রোমান সেনাপতি ও সুলেখক। গল প্রদেশ ও মিশর জয় করে তিনি ক্লিওপেট্রাকে বিয়ে করেন। ৪৪ অব্দে ব্রুটাসের বিশ্বাসঘাতকতায় তিনি নিহত হন।

জোয়ান অব আর্ক কে ছিলেন?

জোয়ান অব আর্ক ছিলেন এক দেশপ্রেমিকা ফরাসী রমণী। তাঁর বিশ্বাস ছিল ইংরাজদের হাত থেকে ফ্রান্সকে রক্ষার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে। জোয়ান ইংরাজদের যুদ্ধে পরাস্ত করার পর তাদের হাতেই বন্দী হলে ১৪৩১ সালে তাঁকে ডাইনি আখ্যা দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। জীবনকাল ১৪১২-৩১।

জোব চার্নক কে?

জোব চার্নক ছিলেন ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর একজন কর্মচারী। ১৬৯০ সালে তিনি কলকাতা শহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৬৩১- ১৬৯৩। শোনা যায় সতীদাহর হাত থেকে উদ্ধার করে তিনি একজন হিন্দু রমণীকে বিয়ে করেন। কলকাতায় জোব চার্নকের সমাধি আছে।

জুল ভের্ন কে?

জুল ভের্ন একজন অতি জনপ্রিয় ফরাসী সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮২৮-১৯০৫। তাঁর রচনা ছিল প্রধানতঃ কল্পবিজ্ঞান কাহিনী। ভের্ন যে ধরনের বিষয়বস্তু নিয়ে লেখেন তার অনেকটাই সত্যি বলে আজ প্রমাণিত। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘রাউন্ড দি ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেজ’, ‘ফাইভ উইকস ইন এ বেলুন’, ‘টুয়েন্টি থাউজেন্ড লীগস আন্ডার দি সী’ ইত্যাদি।

জাঁ হেনরি দুর্নাঁত কে?

জাঁ হেনরি দুনাঁত একজন সুইশ ধর্মযাজক। তাঁর জন্ম ১৮২৮ সালে। সালফারিনোর যুদ্ধে অসংখ্য আহত মানুষের চরম দুর্দশা দেখে তিনি ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দে আন্তর্জাতিক রেডক্রশ প্রতিষ্ঠায় প্রাণপণ সঁপে দিয়েছিলেন। ১৯০১ সালে সেবাব্রতের জন্য তিনি প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

জন মিল্টন কে?

জন মিল্টন ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ কবি। জীবনকাল ১৬০৮-৭৪। শেষ জীবনে তিনি অন্ধ হয়ে যান। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘প্যারাডাইস লস্ট’ ‘লালেগ্রো’, ‘ইলপেনসারোশা’ ইত্যাদি।

জর্জ স্টিফেনসন কে?

জর্জ স্টিফেনসন ছিলেন একজন ইংরাজ এঞ্জিনিয়ার। জীবনকাল ১৭৮৯-১৮৪৮। তিনি ১৮২৫ সালে সর্বপ্রথম রেল এঞ্জিন তৈরি করেন। এটি বাষ্পীয় শক্তিতে চলেছিল।

জোনাথান সুইফট কে?

জোনাথান সুইফট বিখ্যাত ইংরাজ লেখক ছিলেন। জীবনকাল ১৬৬৭-১৭৪৫। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘গ্যালিভার্স ট্রাভেলস’। কাহিনীর উপজীব্য হল খুদে মানুষদের দেশে গ্যালিভারের অভিজ্ঞতা।

জেমস ওয়াট কে ছিলেন?

জেমস ওয়াট ছিলেন স্কটল্যান্ডের একজন আবিষ্কারক। জীবনকাল ১৭৩৬-১৮১৯। তিনিই বাষ্পীয় শক্তি আবিষ্কার করেন।

জর্জ ওয়াশিংটন কে ছিলেন?

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন। স্বাধীনতার সংগ্রামে তিনিই স্বদেশীয়দের নেতৃত্ব দেন। জীবনকাল ১৭৩২-৯৯। জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৮৯-৯৭ সাল পর্যন্ত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

জর্জ সান্তায়ন কে?

জর্জ সান্তায়ন ছিলেন মার্কিনী দার্শনিক ও কবি। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক ছিলেন। জীবনকাল ১৮৬৩-১৯৫২।

জন গলস্তয়ার্দি কে?

জন গলস্তয়ার্দি বিখ্যাত একজন ইংরাজ ঔপন্যাসিক। জীবনকাল ১৮৬৭-১৯৩৩। তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ‘ফরসাইথ সাগা’।

জেসি ওয়েন্স কে?

জেসি ওয়েন্স আমেরিকার একজন নিগ্রো দৌড়বীর। ১৯৩৬ সালের বার্লিন অলিম্পিকে তিনি দৌড়ে রেকর্ড করেন। জার্মানীর চ্যান্সেলর হিটলার তাঁর সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। ওয়েন্স সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ অ্যাথলীট।

জ্যাক লন্ডন কে ছিলেন?

জ্যাক লন্ডন একজন বিখ্যাত মার্কিনী সাহিত্যিক। তাঁর কাহিনী অ্যাডভেঞ্চারমূলক। তাঁর বিখ্যাত বই ‘কল অব দি ওয়াইল্ড’। জীবনকাল ১৮৭৬-১৯১৬।

জো লুই কে?

জো লুই ছিলেন এক নিগ্রো মুষ্টিযোদ্ধা। তিনি ১৯৩৬ সালে হেভীওয়েট চ্যাম্পিয়ন হন ও ২৬ বার এই খেতাব বজায় রাখেন। তাঁর সময়কালে জো লুই কিম্বদন্তী হয়ে ওঠেন। জীবনকাল ১৯১৪-৮১।

জিম করবেট কে?

জিম করবেট একজন ইংরাজ শিকারি। ভারতের কুমায়ুন অঞ্চলে মানুষখেকো বাঘ শিকার করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। শিকার-কাহিনী রচনাতেও তিনি জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তাঁর ‘ম্যান ঈটার্স অব কুমায়ুন’ বিখ্যাত জীবনকাল ১৮৭৫-১৯৫৫।

জে. জে. থমসন কে?

জে. জে. থমসন একজন বিখ্যাত ইংরাজ বিজ্ঞানী। তিনিই ঋণাত্মক তড়িৎকণা বিশিষ্ট ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন। এতে গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হয়। ১৯০৬ সালে তিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান। তার জন্ম হয় ১৮৫৬ সালে, মৃত্যু ১৯৪০ সালে।

জেমস প্রেসকট জুল কে?

জেমস প্রেসকট জুল একজন বিখ্যাত ইংরাজ বিজ্ঞানী। তাঁর জন্ম ১৮১৮ সালে। শক্তির নিত্যতাসূত্র তাঁরই আবিষ্কার। যান্ত্রিক তাপ ও শক্তির পরস্পর সম্পর্কও তাঁর আবিষ্কার। তাঁর মৃত্যু হয় ১৮৮৯ সালে।

জ্যাকব বার্জেলিয়াস কে?

জ্যাকব বার্জেলিয়াস একজন সুইডিশ বিজ্ঞানী। তাঁর জন্ম ১৭৯১ সালে। তিনিই সর্বপ্রথম মৌল ও যৌগের সংকেতের প্রবর্তন করেন। তাঁর মৃত্যু হয় ১৮৪৮ সালে।

জেমস চ্যাডউইক কে?

জেমস চ্যাডউইক একজন বিখ্যাত ইংরাজ বিজ্ঞানী। তাঁর জন্ম ১৮৯১ সালে। তড়িৎ আধানযুক্ত নিউট্রন কণা তিনিই আবিষ্কার করেন।

জগদীশচন্দ্র বসু কে ছিলেন?

জগদীশচন্দ্র বসু ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী। তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে। বেতারযন্ত্র আবিষ্কারেও তাঁর দান অসামান্য। পরাধীন ভারতের সন্তান বলেই বেতারযন্ত্র আবিষ্কারের কৃতিত্ব তিনি পাননি এমন অভিযোগও করা হয়। সহজ ভাষায় বিজ্ঞান নিয়ে রচনা ছিল তাঁর বৈশিষ্ট্য। ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র তাঁরই আবিষ্কার। জীবনকাল ১৮৫৮-১৯৩৭।

জর্জ বার্নার্ড শ কে?

জর্জ বার্নার্ড শ ছিলেন আইরিশ নাট্যকার। তাঁর ক্ষুরধার শ্লেষাত্মক রচনা অত্যন্ত জনপ্রিয়। জীবনকাল ১৮৫৬- ১৯৫০। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান,’ ‘ব্যাক টু মেথুসেলা,’ ‘পিগমিলিয়ন’। ১৯২৫ সালে জর্জ বার্নার্ড শ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

জাঁ পল সাত্র কে?

জাঁ পল সাত্র ছিলেন ফরাসী বাস্তববাদী দার্শনিক। নাট্যকার, ঔপন্যাসিক। বিখ্যাত রচনা ‘ক্রাইম প্যাশনেল’। ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েও তা গ্রহণে অস্বীকার করেন। জীবনকাল ১৯০৫-৮০।

জাঁ লুক গদার কে?

জাঁ লুক গদার বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। ফরাসী চলচ্চিত্রে নব্যধারার প্রবর্তক গদার। জন্ম ১৯৩০ সালে। শ্রেষ্ঠ ছবি ‘আলফাভিল’।

জওহরলাল নেহরু কে ছিলেন?

জওহরলাল নেহরু ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদী নেতা ও সুলেখক। জীবনকাল ১৮৮৯- ১৯৬৪। শ্রেষ্ঠ রচনা ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’। ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁরই কন্যা। নির্জোট ও পঞ্চশীল আন্দোলনের উদগাতা ছিলেন নেহরু।

জামসেদজী টাটা কে ছিলেন?

জামসেদজী টাটা ছিলেন ভারতের একজন বিখ্যাত শিল্পপতি। তিনি ছিলেন পার্শী সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁরই প্রতিষ্ঠিত টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টীল প্রতিষ্ঠান ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইস্পাত কারখানা। তাঁরই নামে বিহারে স্থাপিত হয় জামসেদপুর শহর। এখানে রয়েছে তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইস্পাত কারখানা। শহরের অন্য নাম টাটা নগর। জামসেদজী টাটার জন্ম ১৮৩৯ সালে, মৃত্যু ১৯০৪ সালে।

ঝুকভ কে?

মার্শাল ঝুকভ ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রুশ প্রধান সেনাপতি। মস্কো ও স্ট্যালিনগ্রাদ রক্ষায় বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার পর ১৯৪৫-এ জার্মানীকে পরাস্ত করে বার্লিন দখল করেন ঝুকভ। পুরো নাম জর্জি কনস্টান্টিনোভিচ ঝুকভ। জীবনকাল ১৮৯৬-১৯৭৪।

টলেমী কে?

টলেমী ছিলেন ৯০-১৬৮ খ্রীষ্টাব্দের বিখ্যাত গ্রীক গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ। তিনি প্রায় ১০২৮টি নক্ষত্র তালিকাভুক্ত করেন। ভৌগোলিক বিষয়েও তাঁর জ্ঞান ছিল অসামান্য। তাঁর বিখ্যাত বইয়ের নাম ‘অ্যালমাগেস্ট’।

টাইকো ব্রাহে কে?

টাইকো ব্রাহে ছিলেন বিখ্যাত ডেনিশ জ্যোতির্বিদ। জীবনকাল ১৫৪৬-১৬০১। তাঁর সহকারী ছিলেন জোহানেস কেপলার।

টোডরমল কে ছিলেন?

রাজা টোডরমল ছিলেন দিল্লিশ্বর সম্রাট শের শাহর অধীনে একজন বিখ্যাত সৈনিক ও পরে রাজস্ব সম্পর্কে একজন দক্ষ মানুষ। তার জীবনকাল ষোড়শ শতক। পরে রাজস্ব সম্পর্কে তাঁর কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিতে তাঁর উপাধি হয় দেওয়ান-ই আসরফ। পরবর্তীকালে সম্রাট আকবরও টোডরমলের নীতি গ্রহণ করেন।

টমাস আলভা এডিসন কে?

টমাস আলভা এডিসন ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক। জীবনকাল ছিল ১৮৪৭-১৯৩১। এডিসন কত আবিষ্কার করেছিলেন তা সংখ্যায় গোনা যায় না। তাঁর আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে ফোনোগ্রাফ, টেলিগ্রাফ, বৈদ্যুতিক বাল্ব, এমন বহু জিনিস।

টরিসেলী কে?

টরিসেলী ছিলেন ইতালীয় পদার্থবিদ ও গ্যালিলিওর ছাত্র। জীবনকাল ১৬০৮-৪৭। তিনি তাপমান যন্ত্র বা ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন।

টিটো কে?

মার্শাল টিটো বা যোশিপ ব্রজ ছিলেন যুগোশ্লাভিয়ার বিখ্যাত দেশপ্রেমিক ও কমিউনিস্ট নেতা ও প্রেসিডেন্ট। নাৎসী জার্মানীর বিরুদ্ধে তিনি প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। জীবনকাল ১৮৯০-১৯৮০।

টি. এস. এলিয়ট কে?

টি. এস. এলিয়ট ইংরাজি সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি, সমালোচক ও নাট্যকার। তার জন্ম হয় ১৮৮৮ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর। ১৯৪৮ সালে এলিয়ট তাঁর সাহিত্য প্রতিভার স্বীকৃতিতে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৬৫ সালে।

ড্যানিয়েল ডিফো কে ছিলেন?

ড্যানিয়েল ডিফো ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরাজ লেখক। জীবনকাল ১৬৬০-১৭৩১। তাঁর বিখ্যাত বই হল ‘রবিনসন ক্রুশো’। অ্যাডভেঞ্চার কাহিনী হিসেবে এ বই অত্যন্ত জনপ্রিয়।

ডন ব্র্যাডম্যান কে?

ডন ব্র্যাডম্যান বিশ্বের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ক্রিকেট খেলোয়াড়। জন্ম ১৯০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায়। ৫২টি টেস্টম্যাচে তাঁর শতরান সংখ্যা ২৯। বর্তমানে অবসর জীবন যাপন করে চলেছেন এই জীবিত কিম্বদন্তী।

ডুইট ডেভিড আইসেন হাওয়ার কে?

আইসেনহাওয়ার ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তাঁর কার্যকাল ছিল ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত। তাঁর জন্ম হয় ১৮৯০ সালের ১৪ই অক্টোবর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নানা পদে কাজ করার পর ১৯৪৪ সালে তিনিই হন মিত্রশক্তি বাহিনীর সর্বপ্রধান। ১৯৬৯ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।

ডব্লিউ জি গ্রেস কে?

ডব্লিউ জি গ্রেস ছিলেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটজনক। জীবনকাল ১৮৪৮-১৯১৫। তাঁর মোট রান সংখ্যা হল ৫৪৮৯৬। শতরান ১২৬, উইকেট ২৮৭৬।

তেনজিং নোরকে কে?

তেনজিং নোরকে একজন নেপালী পর্বতারোহী শেরপা। এডমন্ড হিলারীর সঙ্গে তিনি ২৯শে মে ১৯৫৩ প্রথম এভারেস্ট জয় করেন। জন্ম ১৪ই মে ১৯১৪, মৃত্যু ৯ই মে ১৯৮৬।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কে?

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বঙ্গসাহিত্যের একজন প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক। তাঁর জন্ম ১৩০০ বঙ্গাব্দের ৮ই শ্রাবণ বীরভূম জেলার লাভপুরে। ১৯৩০ সালে তিনি আইন অমান্য আন্দোলনেও যোগ দিয়েছিলেন। এরপর সাহিত্য হয় তাঁর জীবিকা। শক্তিশালী, জনপ্রিয় এই লেখকের সেরা উপন্যাস ‘গণদেবতা’। তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে অন্যতম হল ‘ধাত্রীদেবতা’, ‘হাঁসুলিবাঁকের উপকথা’, ‘আরোগ্য নিকেতন’ ইত্যাদি। তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পান। তাঁর মৃত্যু হয় ১৩৭৮ বঙ্গাব্দের ২৮শে ভাদ্র।

দান্তে কে ছিলেন?

দান্তে ইতালী ও বিশ্বসাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর জীবনকাল ছিল ১২৬৫-১৩২১। তাঁর বিখ্যাত রচনার নাম ‘ডিভাইনা কমেডিয়া’।

দিয়েগো আমান্দো মারাদোনা কে?

দিয়েগো আমান্দো মারাদোনা অসাধারণ প্রতিভাসম্পন্ন এক ফুটবল খেলোয়াড়। তাকে শুধু খেলোয়াড় না বলে ফুটবলের দক্ষ শিল্পী আখ্যা দেওয়া যায়। জন্ম দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনায় ১৯৬০ সালে। তার অধিনায়কত্বে আর্জেন্টিনা ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ জয় করে। ফুটবলের এই মহান শিল্পী মাদক গ্রহণের অভিযোগে পরে সাসপেন্ড হলে তার খেলায় সাময়িক ছেদ পড়ে। মারাদোনা ফুটবলের অন্যতম ধনী খেলোয়াড় এবং দামীও।

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ কে ছিলেন?

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ছিলেন প্রখ্যাত জাতীয়তাবাদী জননেতা, আইনজ্ঞ আর কবি। দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি তাঁর সবকিছুই দেশের মানুষের জন্য দান করেন। দেশের মানুষ তাঁকে দেশবন্ধু আখ্যা দেয়। কংগ্রেসের মধ্যে স্বরাজ্য পার্টির তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে বহু বার কারাবরণ করেন। তাঁরই সুযোগ্য শিষ্য সুভাষচন্দ্র বসু। চিত্তরঞ্জন দাশের জন্ম ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর মৃত্যু দার্জিলিং-এ ১৯২৫ সালের ১৬ই জুন।

দাগ হ্যামারশীল্ড কে ছিলেন?

দাগ হ্যামারশীল্ড ছিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের কিছুটা বিতর্কিত একজন প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল। তাঁর কার্যকাল ছিল ১৯৫৩ থেকে ১৯৬১। তিনি জাতিতে সুইডিশ। তাঁর জন্ম হয় ১৯০৫ সালে। কঙ্গোয় শান্তির উদেশ্যে যাওয়ার সময় রহস্যজনকভাবে বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯৬১ সালে তাঁকে মরণোত্তর নোবেল শান্তিপুরস্কার দেওয়া হয়।

ধ্যানচাঁদ কে?

ধ্যানচাঁদ ভারতীয় হকির যাদুকর। ১৯৩৬-এ বার্লিন অলিম্পিকে তিনি ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন।

নিকোলো মেকিয়াভেলি কে ছিলেন?

নিকোলো মেকিয়াভেলি ছিলেন বিখ্যাত ইতালিয় কথাশিল্পী ও রাজনীতিক। তাঁর জন্ম ১৪৬৯ সালে। তাঁর রচিত ‘ইল প্রিন্সিপ’ (দি প্রিন্স) বইটিতে তিনি উল্লেখ করেন যে কোন শাসকের নৈতিক বা অনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা থাকে। মেকিয়াভেলির মৃত্যু হয় ১৫২৭ সালে।

নেপোলিয়ান বোনাপার্ট কে ছিলেন?

নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ছিলেন ফরাসী সেনাধ্যক্ষ ও সম্রাট। ফরাসী বিপ্লবের পর তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হন। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ওয়াটার্লর যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর তিনি বন্দী হন ও সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত হন। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। জীবনকাল ১৭৬৯-১৮২১। রাশিয়া আক্রমণই তাঁর জীবনের চরম ব্যর্থতার কারণ।

প্লেটো কে?

প্লেটো ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক। তিনি বিখ্যাত সক্রেটিসের ছাত্র ছিলেন। তাঁর জীবনকাল ছিল খ্রীষ্টপূর্ব ৪২৭-৩৪৭ অব্দ। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ডায়লগস’।

পিথাগোরাস কে ছিলেন?

পিথারোগাস ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ। জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৫৮২-৫০০ অব্দ। জ্যামিতিতে তিনি অমরত্ব লাভ করেছেন উপপাদ্যর মধ্যে।

পাবলো পিকাসো কে?

পাবলো পিকাসো বিশ্বখ্যাত একজন স্পেনীয় চিত্রশিল্পী। জন্ম ১৮৮১, মৃত্যু ১৯৭৩। আধুনিক চিত্রকলার ক্ষেত্রে পিকাসো অসামান্য জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি অর্জন করেন।

আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় কে?

আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ভারতবর্ষে রসায়ন বিজ্ঞানের অধ্যাপনা, গবেষণা ও রাসায়নিক শিল্প স্থাপনে এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯০১ সালে বেঙ্গল কেমিক্যাল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রেসিডেন্সী কলেজে ১৯১১ সালে প্রধান অধ্যাপক হন। ১৯২০ সালে স্যার উপাধি পান। জীবনকাল ১৮৬১- ১৯৪৪। ছাত্রদরদী অধ্যাপক হিসেবে প্রফুল্লচন্দ্র রায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন।

পার্ল এস. বাক কে?

পার্ল এস. বাক হলেন বিখ্যাত আমেরিকান মহিলা ঔপন্যাসিক। ১৯৩৮ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘দি গুড আর্থ’।

পেলে কে?

পেলে ব্রাজিল ও বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবল খেলোয়াড়। তাঁর আসল নাম এ্যারান্টিস দো নাসিমেন্তো এডসন। জন্ম ১৯৪১ সালে। তিনি জীবনে ১৩০০-র বেশি গোল করে কিম্বদন্তী হয়ে আছেন। বর্তমানে তিনি ব্রাজিলের ক্রীড়ামন্ত্রী।

পি. সি. সরকার কে ছিলেন?

পি. সি. সরকার অর্থাৎ প্রতুলচন্দ্র সরকার ছিলেন ভারতের তথা বিশ্বের অন্যতম একজন শ্রেষ্ঠ যাদুকর। তাঁর জন্ম হয় ১৯১৩ সালে অধুনা বাঙলাদেশের ময়মনসিংহের টাঙ্গাইলে। মৃত্যু ১৯৭১ সালের ১লা জানুয়ারি। ভারতীয় যাদুবিদ্যাকে তিনি বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠা করেন। জীবনকালে তিনি ছিলেন যাদুকর গণপতির ছাত্র। যাদুবিদ্যা সম্পর্কে তিনি প্রচুর বই লেখেন।

প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ কে?

প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ ভারতের এক প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংখ্যাতত্ত্ববিদ। তাঁর জন্ম ১৮৯৩ সালে। তাঁর বিখ্যাত কীর্তি কলকাতায় ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট স্থাপন। তিনি রয়্যাল সোসাইটির সদস্য হন ও ভারতের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রচনা করেন। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৭২ সালে।

ফ্রান্সিস বেকন কে?

ফ্রান্সিস বেকন ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ দার্শনিক। জীবনকাল ১৫৬১-১৬২৬। তাঁর বিখ্যাত রচনার নাম ‘নোভাম অর্গানাম’।

ফ্রেডারিক উইলহেলম নীৎসে কে ছিলেন?

ফ্রেডারিক উইলহেলম নীৎসে ছিলেন একজন জার্মান দার্শনিক। জীবনকাল ১৮৪৪-১৯০০। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হল ‘দাস স্পেক জরথুষ্ট’।-

ফা হিয়েন কে ছিলেন?

ফা হিয়েন ছিলেন এক বিখ্যাত চৈনিক পর্যটক। তিনি গুপ্তসম্রাট বিক্রমাদিত্যের রাজত্বকালে ৪০১ খ্রীষ্টাব্দে ভারতে আসেন। তিনি গুপ্তসাম্রাজ্যের সুন্দর বিবরণ লিখে গেছেন। তাঁর বর্ণনা থেকে গুপ্তযুগের চমৎকার ছবি পাওয়া যায়।

ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে?

ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল ছিলেন বিখ্যাত সেবাব্রতী ইংরাজ নার্স। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে তাঁর সেবা মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর নাম হয় ‘লেডি উইথ দি ল্যাম্প’। আলো হাতে তিনি আহতদের দেখে বেড়াতেন বলেই তাঁর ওই নাম হয়। জীবনকাল ১৮২০-১৯১০।

ফ্রেডারিক ম্যাক্সমূলার কে ছিলেন?

ফ্রেডারিক ম্যাক্সমুলার ছিলেন একজন জার্মান ভাষাবিদ ও প্রাচ্যবিশারদ। তাঁর জন্ম জার্মানীতে। জীবনকাল ১৮২৩-১৯০০।

ফার্দিনান্দ দ্য লেসেন্স কে?

ফার্দিনান্দ দ্য লেসেন্স একজন ফরাসী এঞ্জিনিয়ার। জীবনকাল ১৮০৫-১৮৯৪। তিনিই সুয়েজ খাল খনন করে খ্যাতি অর্জন করেন। সুয়েজ খালের তীরে তাঁর মূর্তি স্থাপিত আছে।

ফিওডর মিখাইলোভিচ ডস্টয়ভস্কি কে?

ফিওডর মিখাইলোভিচ ডস্টয়ভস্কি বিশ্ববিখ্যাত রুশ ঔপন্যাসিক। জীবনকাল ১৮২১-৮১। বৈপ্লবিক কাজের জন্য তিনি সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত হন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট’, ‘ব্রাদার্স কারামাজোভ।’

ফিডেল ক্যাস্ট্রো কে?

ফিডেল ক্যাস্ট্রো কিউবার প্রেসিডেন্ট। জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের এক প্রবক্তা। ১৯৫৯ সালে ফালগেনিকো বাতিস্তার সামরিক শাসন উচ্ছেদ করে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হন। জন্ম ১৯২৬।

ফ্রাঙ্ক ওরেল কে ছিলেন?

ফ্রাঙ্ক ওরেল ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন কৃতী ক্রিকেট খেলোয়াড়। খেলোয়াড়োচিত মনোভাবের জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি অসম্ভব জনপ্রিয় ছিলেন আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম অশ্বেতকায় অধিনায়ক। তাঁরই আমলে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ‘তিন ডব্লিউ’ অর্থাৎ ওরেল, উইকস, ওয়ালকট ক্রিকেট খেলাকে অসম্ভব জনপ্রিয় করে তোলেন। তাঁর খেলায় অবদানের জন্য তিনি নাইট উপাধি পান আর জীবিত অবস্থাতেই অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর নামে ওরেল ট্রফি দেওয়া হয়। ১৯৬৯ সালে লিউকেমিয়া রোগে তার মৃত্যু হয়।

ফ্রানৎস কাফকা কে?

ফ্রানৎস কাফকা আধুনিক সাহিত্যের একজন শক্তিশালী লেখক। তিনি ছিলেন একজন জার্মান। তাঁর জন্ম হয় ১৮৮৩ সালে চেকোশ্লোভাকিয়ার প্রাগ শহরে। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘দি ট্রায়াল’, ‘আমেরিকা’ ইত্যাদি। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯২৪ সালে।

বিক্রমাদিত্য কে ছিলেন?

বিক্রমাদিত্য ছিলেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট। তিনি ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত। বিক্রমাদিত্য ছিল তাঁর উপাধি। জীবনকাল ৩৮১-৪১৩ খ্রীষ্টাব্দ। তাঁর নবরত্ন সভার অন্যতম রত্ন ছিলেন মহাকবি কালিদাস।

বোকাচিও কে ছিলেন?

বোকাচিও ছিলেন একজন ইতালীয় সাহিত্যিক। তাঁকেই উপন্যাসের জনক বলা হয়। জীবনকাল ১৩১৩- ৭৫। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ডেকামেরন’।

বীঠোফেন কে?

বীঠোফেন ছিলেন বিখ্যাত জার্মান সঙ্গীত রচয়িতা। তাঁর জীবনকাল ১৭৭০-১৮২৭। তাঁর বিখ্যাত সঙ্গীত হল ‘মাউন্ট অব অলিভস’ ও ‘ফিডেলিও’।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে?

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথা সাহিত্যিক। ‘পথের পাঁচালী’ তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস। পল্লীবাংলার সুখদুঃখের মরমী কাহিনীকার ছিলেন বিভূতিভূষণ। অপু-দুর্গা তাঁর অপূর্ব সৃষ্টি। তাঁর “রচিত অন্যান্য কাহিনীর মধ্যে আছে ‘আরণ্যক’, ‘দেবযান’, ‘বিপিনের সংসার’, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’। তাঁর জন্ম ১৮৯৪ সালে, অকালপ্রয়াণ ঘটে ১৯৫০ সালে।

বের্টল্ট ব্রেখট্ কে?

বিখ্যাত জার্মান কবি ও নাট্যকার বের্টল্ট ব্রেখট। তাঁর জন্ম ১৮৯৮ সালে। তিনিই একমাত্র কমিউনিস্ট ভাবধারার লেখক আর যার নাটক আমেরিকাতে অভিনীত হয় নিয়মিত। ব্রেখটের নাটকে সূক্ষ্ম শ্লেষ আর কমেডিরসের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা ‘সোয়াইক গোজ টু ওয়ার’। তাঁর নাটক বিশ্বের নানা ভাষায় অনূদিত ও খুবই জনপ্রিয়।

বরিস পাস্তারনেক কে?

বরিস পাস্তারনেক একজন প্রথিতযশা রুশ লেখক। তাঁর জন্ম হয় ১৮৯০ সালে। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘ডঃ জিভাগো’। ১৯৫৮ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হলেও রাষ্ট্রের আপত্তিতে তিনি ওই পুরস্কার গ্রহণ করেননি।

বালগঙ্গাধর তিলক কে?

বালগঙ্গাধর তিলক ছিলেন একজন স্বাধীনতাকামী বিখ্যাত কংগ্রেস নেতা। তাঁর জন্ম ১৮৫৬ সালে মহারাষ্ট্রে। জাতীয়তাবোধ ও বাগ্মীতা ছিল অসামান্য। তিনি বলেছিলেন স্বাধীনতায় তাঁর জন্মগত অধিকার আর তিনি তা অর্জন করতে বদ্ধপরিকর। তাঁর লেখার ক্ষমতাও ছিল অসামান্য। তার মৃত্যু হয় ১৯০৪ সালে।

বিনায়ক দামোদর সাভারকর কে ছিলেন?

বিনায়ক দামোদর সাভারকর নাসিক ষড়যন্ত্র মামলার একজন খ্যাতিমান ‘পুরুষ। তিনি একজন উগ্র বিপ্লবীও ছিলেন। দীর্ঘ ১৫ বছর আন্দামানে তিনি দ্বীপান্তর দণ্ড ভোগও করেন। আর মুক্তি লাভ করেন ১৯৩৭ সালে। তিনি হিন্দু মহাসভার নেতাও ছিলেন। দুঃসাহসী সাভারকর জাহাজ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সমুদ্রে সাঁতার দিয়ে ফ্রান্সে পৌঁছন। তাঁর জন্ম ১৮৮৩ সালে, মৃত্যু ১৯৬৬ সালে। ইংল্যান্ড থেকে তিনি বোমা তৈরির কৌশল পাচার করেছিলেন।

ভ্যালেন্টিনা তেরেসকোভা কে?

ভ্যালেন্টিনা তেরেসকোভা এক রুশ মহিলা মহাকাশচারী। তিনিই মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম মহাকাশ পরিভ্রমণ করেন। ১৯৬৩ সালের ১৬ই জুন তিনি ভক্তক-৬ এ চড়ে মহাকাশ পরিভ্রমণ করেন।

ভলটেয়ার কে ছিলেন?

ভলটেয়ার ছিলেন ফরাসী দার্শনিক ও লেখক। জীবনকাল ১৬৯৪-১৭৭৮। তিনি বা তাঁর রচনাই ফরাসী বিপ্লবের অগ্রদূত। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ফিলসফিক্যাল লেটার্স,’ ‘ডিসকোর্সেস অব ম্যান’ ইত্যাদি।

ভার্জিল কে?

ভার্জিল ছিলেন বিখ্যাত গীতিকার ও কবি। তাঁর জন্ম হয় খ্রীষ্টপূর্ব ৭০ অব্দে ইতালিতে। তাঁর কাব্যে নিসর্গপ্রীতি আর তাঁর অসামান্য কবিপ্রতিভার স্ফুরণ দেখা যায়। তাঁর অসামান্য রচনা হল ‘এনিক’। ভার্জিল মারা যান খ্রীষ্টপূর্ব ১৯ অব্দে।

ভিক্টোরিয়া কে ছিলেন?

ভিক্টোরিয়া ছিলেন ইংল্যান্ডের মহারানী। তাঁর জন্ম হয় ১৮১৯ সালের ২৪শে মে। ১৮৩৭ সালে তিনি ইংল্যান্ডের সিংহাসনে বসেন। তাঁর আমলকেই বলা হয় ভিক্টোরিয়া যুগ। তাঁর বিয়ে হয় প্রিন্স অ্যালবার্টের সঙ্গে। ১৮৭৬ সালে তিনি হন ভারতসম্রাজ্ঞী। তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর রাজত্ব করেন, এত দীর্ঘসময় ইংল্যান্ডে কেউ যা করেননি। তাঁর, মৃত্যু হয় ১৯০১ সালের ২২শে জানুয়ায়ী।

ভিনসেন্ট ভ্যান গখ কে?

ভিনসেন্ট ভ্যান গখ এক বিখ্যাত ওলন্দাজ চিত্রশিল্পী। শিল্পে তাঁর দক্ষতা ছিল সহজাত। জীবনকাল ১৮৫৩-৯০। চারপাশের সবকিছুই তিনি শিল্পে মূর্ত করেছিলেন। অত্যন্ত দুঃখময় ছিল ভ্যান গখের জীবন। তিনি শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

ভাস্কো ডা গামা কে?

ভাস্কো ডা গামা একজন পর্তুগীজ নাবিক। জীবনকাল ১৪৬০-১৫২৪। ১৪৯৮ সালে তিনি ভারতবর্ষের সমুদ্রপথ • আবিষ্কার করে ভারতের পশ্চিম প্রান্তে কালিকটে উপস্থিত হন।

মহাবীর কে ছিলেন?

মহাবীর ছিলেন ভারতে জৈন ধর্মের প্রধান প্রবর্তক। তাঁর জন্ম হয় আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪০ অব্দে। তিনি জন্মগ্রহণ করেন উত্তর বিহারের বৈশালীর কাছে। পিতার নাম সিদ্ধার্থ ও মাতার নাম ত্রিশলা। তিনি আনুমানিক ৪৬০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ৭২ বছর বয়সে বিহারের পাবাপুরিতে দেহত্যাগ করেন।

মেগাস্থিনিস কে ছিলেন?

মেগাস্থিনিস ছিলেন গুপ্তসম্রাট চন্দ্রগুপ্তের সভায় গ্রীক সেনাপতি সেলুকাসের দূত। তিনি সে সময়ের সুন্দর বিবরণ লিখে যান।

মেন্ডেল কে?

গ্রেগর যোহান মেন্ডেল ছিলেন অস্ট্রিয়ার একজন সন্ন্যাসী-বিজ্ঞানী। তিনিই আধুনিক প্রজননবিদ্যার জনক। তিনি মটর গাছ নিয়ে পরীক্ষা চালান। জীবনকাল ১৮২২- ১৮৮৪।

মাইকেল এঞ্জলো কে ছিলেন?

মাইকেল এঞ্জলো ইতালীয় শিল্পী, ভাস্কর ও কবি। জীবনকাল ১৪৭৫-১৫৬৪। সিস্তাইন চ্যাপেলে আঁকা তাঁর চিত্র পৃথিবী বিখ্যাত। তিনি গম্বুজের নিচে ওই চিত্র অঙ্কিত করেন।

মঙ্গোপার্ক কে?

মঙ্গোপার্ক ছিলেন একজন স্কটিশ আবিষ্কারক। জীবনকাল ১৭৭১-১৮০৬। পশ্চিম আফ্রিকা ভ্রমণের সময় তিনি প্রাণ হারান।

মারিয়া মন্টেসরী কে?

মারিয়া মন্টেসরী একজন ইতালীয় মহিলা শিক্ষাবিদ। জীবনকাল ১৮৭০-১৯৫২। তিনি এক আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।

মার্কে পোলো কে?

মার্কে পোলো ছিলেন সেকালের বিখ্যাত ভেনিসীয় পর্যটক। জীনকাল ১২৫৬-১৩২৩। তিনি ভরত ও চীন ভ্রমণ করে তার বিস্তৃত বিবরণ রেখে যান। তিনি চীন-সম্রাট কুবলাই খানের দরবারেও যান ও তার অধীনে কাজ করেন।

মেরী কুরী ও পিয়ের কুরী কে ছিলেন?

মেরী কুরী ছিলেন বিখ্যাত পোলিশ মহিলা বিজ্ঞানী। পিচ ব্লেন্ড থেকে রেডিয়াম আবিষ্কার তাঁকে অমরত্ব দান করেছে। জীবনকাল ১৮৬৭-১৯৩৪। তিনিই একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞান আলাদাভাবে দু’বার নোবেল পুরস্কার পান। পিয়ের কুরী (১৮৫৯-১৯০৬) তাঁর স্বামী। ১৯০৩ সালে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি যুক্তভাবে নোবেল পুরস্কার পান।

ম্যাগেলান কে?

ফার্দিনান্দ ম্যাগেলান একজন বিখ্যাত পর্তুগীজ নাবিক ও দেশ আবিষ্কারক। তাঁর জন্ম ১৪৮০ খ্রীষ্টাব্দে। ম্যাগেলানই সর্বপ্রথম ১৫১৯ খ্রীষ্টাব্দে জাহাজে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। তাঁর মৃত্যু হয় ১৫২১ খ্রীষ্টাব্দে।

মহম্মদ রফি কে ছিলেন?

মহম্মদ রফি ছিলেন অত্যন্ত সুকণ্ঠের অধিকারী হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন জনপ্রিয় নেপথ্য গায়ক। নানা ভাষায় তিনি প্রায় পঁচিশ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন। জন্ম ১৯২৬, মৃত্যু ১৯৮০।

ম্যাক্সিম গোর্কি কে ছিলেন?

রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কি বিশ্ব সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী। জীবনকাল ১৮৬৮-১৯৩৬। তাঁর বিখ্যাত বই হল ‘দি মাদার’। তিনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন।

মিখাইল শলোকভ কে?

মিখাইল শলোকভ একজন বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক। জন্ম ১৯০৫ সালে। তাঁর বিখ্যাত বই হল ‘অ্যান্ড কোয়ায়েট ফ্লোজ দি ডন’। ১৯৬৫ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর জীবনাবসান হয় ১৯৮৪ সালে।

মার্কনি কে?

মার্কনি ছিলেন ইতালীয় পদার্থ বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৮৭৪-১৯৩৭। মার্কনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। ১৮৯৫ সালে দীর্ঘ তরঙ্গে তিনি এক মাইল দূরে সঙ্কেত প্রেরণ করে সকলকে বিস্মিত করেন। তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯০৯ সালে।

মার্ক টোয়েন কে?

মার্ক টোয়েন ছিলেন আমেরিকার রসসাহিত্য স্রষ্টা। তাঁর আসল নাম স্যামুয়েল ল্যাঙহর্ন ক্লিমেন্স। জীবনকাল ১৮৩৫-১৯১০। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘অ্যাডভেঞ্চার্স অব টম সয়ার’, ‘হাকলবেরী ফিন’ ইত্যাদি।

এম. এন. রায় কে?

এম. এন. রায় বা মানবেন্দ্রনাথ রায় একজন বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর আসল নাম নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তিনি প্রথমে আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট সংস্থা কমিনটার্নে লেনিনের সহযোগী ছিলেন। তিনি মেক্সিকোর কমিউনিস্ট দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন। পরে গঠন করেন র‍্যাডিক্যাল হিউম্যানিস্ট দল। জীবনকাল ১৮৮৮-১৯৫৩।

মেঘনাদ সাহা কে ছিলেন?

মেঘনাদ সাহা ছিলেন প্রখ্যাত এক বাঙালি তথা ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৮৯৩-১৯৫৬। রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে তিনি লোকসভার সদস্য হন।

মাও সে তুঙ কে ছিলেন?

মাও সে তুঙ বা মাও জে দঙ চীন সাধারণতন্ত্রের চেয়ারম্যান ও কমিউনিস্ট নেতা। ১৯৪৯ সালে কুওমিন্টাং দলকে পরাজিত করে কমিউনিস্ট শাসন প্রবর্তন করেন মাও সে তুঙ। জীবনকাল ১৮৯৩-১৯৭৬।

মাইকেল ফ্যারাডে কে?

মাইকেল ফ্যারাডে ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৭৯১-১৮৬৭। ডায়নামো এবং বিদ্যুৎ-চুম্বক সম্পর্কে তাঁর গবেষণা নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত করে দেয়।

মেন্ডেলিফ কে ছিলেন?

ডিমিত্রি ইভানোভিচ মেন্ডেলিফ ছিলেন একজন রুশ রসায়নবিদ। জীবনকাল ১৮৩৪-১৯০৭। মৌলিক পদার্থের ক্ষেত্রে তিনি পিরিয়ডিক টেবল গঠন করেন। ১০১ নং মৌলিক পদার্থটি তারই নামে নামাঙ্কিত।

মুন্সী প্রেমচাঁদ কে?

উর্দু ও হিন্দী সাহিত্যে একজন বিখ্যাত লেখক মুন্সী প্রেমচাঁদ। আসল নাম ধনপতি। জীবনকাল ১৮৮০- ১৯৩৬। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘গোদান’, ‘নির্মলা’।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত কে ছিলেন?

মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্য তথা ভারতীয় সাহিত্যের এক দুর্লভ প্রতিভা। তিনিই সর্বপ্রথম বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দে কবিতা রচনা করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’, ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’, ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ ইত্যাদি। ইংরাজীতে তিনি ‘ক্যাপটিভ লেডি’ লিখেছিলেন। জন্ম ১৮২৪। মৃত্যু ১৮৭৩। তিনি খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর সমাধি লিপি অপরূপ।

মার্টিন লুথার কিং কে ছিলেন?

মার্টিন লুথার কিং ছিলেন মার্কিনী নিগ্রো যাজক ও নেতা। জন্ম ১৯২৯। শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পান ১৯৬৪ সালে। তিনি ১৯৬৮-তে নিহত হন।

মহাত্মা গান্ধী কে ছিলেন?

মহাত্মা গান্ধী অর্থাৎ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ছিলেন ভারতের আপামর জনসাধারণের একান্ত প্রিয় নেতা। হিন্দু- মুসলিম একতা স্থাপনই ছিল তাঁর জীবনব্রত। সাধারণ মানুষের মনে স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত করেছিলেন তিনিই। অহিংস অসহযোগ আন্দোলন তাঁরই সৃষ্টি। গান্ধীজীর জন্ম হয় ২ অক্টোবর, ১৮৬৯ সালে রাজকোটে। ১৯৪৮ সালের ৩০শে জানুয়ারী দিল্লীতে আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।

মাইকেল জ্যাকসন কে?

মাইকেল জ্যাকসন পপ-সংগীত জগতে এক জনপ্রিয়তম শিল্পী। পৃথিবীর সব দেশেই মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠানে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। বিদ্যুৎগতি নাচের মাধ্যমে সংগীতের মূর্ছনা তোলেন মাইকেল জ্যাকসন। বিভিন্ন সেবামূলক কাজে লক্ষ লক্ষ ডলার দান করেন মাইকেল জ্যাকসন এ খ্যাতিও তাঁর আছে। তিনি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। প্রথম আত্মপ্রকাশ ১৯৭৭ সালে সিডনি লুমেট পরিচালিত ‘দা উইন’ ছবিতে। জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৯শে আগস্ট আমেরিকার ইন্ডিয়ানার গ্যারি শহরে। মাইকেল জ্যাকসনের সর্বপ্রথম সোলো অ্যালবাম ‘গট টু বি দেয়ার’ প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশি লক্ষ কপি বিক্রি হয়।

ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কে?

ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক একজন খ্যাতনামা জার্মান পদার্থবিদ। আলোকের প্রকৃতি নিয়ে তিনি গবেষণা করেন। ‘কোয়ান্টাম তত্ত্ব’ এর জন্য ১৯১৮ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর জন্ম হয় ১৮৫৮ সালে, দেহাবসান ১৯৪৭ সালে।

মাদার টেরিজা কে?

মাদার টেরিজা এক মহীয়সী সেবাব্রতী রমণী। দুঃস্থ, সহায়সম্বলহীন শিশু ও রোগীর সেবায় উৎসর্গীকৃতা এই মহিলার প্রকৃত নাম অ্যাগনেস গুইক্সিয়া বোজাক্সিয়া। জন্ম ১৯১০ সালে যুগোশ্লাভিয়ায়। পিতামাতা আলবেনিয়। ভারতে আসেন ১৯২৮ সালে। ১৯৭০ সালে পোপের শান্তি পুরস্কার পান। ১৯৭৮-এ ম্যাগসেসে পুরস্কার ও ১৯৭৯-তে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তিনি ভারতীয় নাগরিক। ‘নির্মল হৃদয়’ অনাথ আশ্রম প্রতিষ্ঠা তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তাঁর প্রয়াণ ঘটে ১৯৯৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা শহরে।

মূলকরাজ আনন্দ কে?

মূলকরাজ আনন্দ একজন বিখ্যাত ভারতীয় সাহিত্যিক। তিনি বহু গ্রন্থের রচয়িতা। এর মধ্যে- বিখ্যাত হল ‘কুলি’, ‘অচ্ছ্যুৎ’ ইত্যাদি। জন্ম ১৯০৫।

যীশুখ্রীষ্ট কে ছিলেন?

যীশুখ্রীষ্ট ছিলেন খ্রীষ্টধর্মের প্রবর্তক। তিনি যোশেফ ও মেরীর সন্তান। ২৫শে ডিসেম্বর বেথলেহেম নগরে তাঁর জন্ম হয়। মানবপ্রেমই যীশুর বাণী। তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। শুক্রবার তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়, তাই সেই দিনের নাম গুড ফ্রাইডে।

যোহান কেপলার কে ছিলেন?

যোহান কেপলার ছিলেন একজন জার্মান জোতির্বিদ জীবনকাল ১৫৭১-১৬৩০। তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে ডিম্বাকৃতি পথে পরিক্রমা করে।

যোহান গুটেনবার্গ কে?

যোহান গুটেনবার্গ ছিলেন একজন জার্মান মুদ্রণ বিশারদ। জীবনকাল ১৪০০-৬৮। ১৪৫৬ সালে তিনিই প্রথম টাইপ থেকে মুদ্রণের কাজ করেন।

যোসেফ লিষ্টার কে?

যোসেফ লিষ্টার ছিলেন একজন সুবিখ্যাত শল্যচিকিৎসক। তাঁর জন্ম হয় লন্ডনে ১৮২৭ খ্রীষ্টাব্দের ৫ই এপ্রিল। যোসেফ লিষ্টার আবিষ্কার করেন বীজবারক বা অ্যান্টিসেপটিক পদার্থ। এর ফলে মানুষ অস্ত্রোপাচারের পর বিষাক্ত হাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়। তিনি প্রথম দেখান কার্বলিক অ্যাসিড ব্যবহারে জীবাণু সংক্রমণ বন্ধ হয়। পরে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অন্য বীজবারক ব্যবহার শুরু হলেও পথ প্রদর্শক ছিলেন লিষ্টার। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯১২ সালের ১০ই ফেব্রুয়ারী।

রাফায়েল কে?

রাফায়েল ছিলেন ‘রেনেসাঁ’ আমলের ইতালীয় একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। জীবনকাল ১৪৮৩-১৫২০। তাঁর বিখ্যাত চিত্র হল ড্রেসডেনের ‘সিস্তাইন ম্যাডোনা’।

রুশো কে?

জাঁ জাক রুশো ছিলেন ফরাসী দার্শনিক ও চিন্তাবিদ। জীবনকাল ১৭১২-৭৮। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘দ্য সোস্যাল কন্‌ট্র্যাক্ট’। তাঁর চিন্তাভাবনাই ফরাসী বিপ্লব ত্বরান্বিত করেছিল।

রালফ ওয়ালডো এমার্সন কে?

রালফ ওয়ালডো এমার্সন ছিলেন বিখ্যাত আমেরিকান কবি ও চিন্তানায়ক। জীবনকাল ১৮০৩-৮২। তাঁর কবিতার মধ্যে বিখ্যাত হল ‘উডনোটস’, ‘টার্মিনাস’, ‘দি প্রবলেম’ ইত্যাদি।

রেনে দেকার্তে কে?

রেনে দেকার্তে একজন খ্যাতনামা ফরাসি অঙ্ক শাস্ত্রবিদ। তাঁর জন্ম ১৫৯৬, মৃত্যু ১৬৫০ সালে। তাঁকেই আধুনিক দর্শনের অগ্রদূত আখ্যা দেওয়া যায়।

রবার্ট কখ কে ছিলেন?

বরার্ট কখ ছিলেন একজন খ্যাতনামা জার্মান চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী। বিশেষ বিশেষ রোগের কারণ যে বিশেষ ধরনের জীবাণু একথা রবার্ট কখই প্রমাণ করেন। যক্ষ্মা ও কলেরা রোগের জীবাণু তিনিই চিহ্নিত করেন। কখ জন্মেছিলেন ১৮৪৩ সালে জার্মানীতে। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯১০ সালে।

রাসপুটিন কে?

রাসপুটিন একজন রুশ কৃষক। উচ্চাকাঙক্ষী রাসপুটিন জার দ্বিতীয় নিকোলাসের রাজত্বের সময় জারিনার উপর প্রভাব বিস্তার করেন। জীবনকাল ১৮৭১-১৯১৬। শেষ পর্যন্ত তিনি নিহত হন।

রাজা রামমোহন রায় কে ছিলেন?

রাজা রামমোহন রায় ছিলেন বাংলা তথা ভারতের এক যুগপুরুষ। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৭৭৪-১৮৩৩। পাশ্চাত্য শিক্ষা ও স্ত্রী শিক্ষা প্রসার, ইত্যাদি সমাজ সংস্কার মূলক কাজে রামমোহন অগ্রণী ভূমিকা নেন। তাঁরই চেষ্টায় সতীদাহ প্রথা বন্ধ হয়। নানা বাধা অগ্রাহ্য করে মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহের দূত হিসেবে তিনি বৃটিশ পার্লামেন্টে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করেন। কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিন্দুধর্মের প্রতি আস্থা হারিয়ে তিনি ব্রাহ্মধর্ম প্রচার ও প্রবর্তন করেন।

রানী রাসমণি কে ছিলেন?

রানী রাসমণি ছিলেন কলকাতার জানবাজারের মাড় বংশের রাজা প্রীতিরামের পুত্রবধূ ও রাজচন্দ্রের স্ত্রী। রানী রাসমণি ছিলেন সে যুগের এক মহীয়সী নারী। তাঁর জন্ম হয় ১৮৯৩ সালে হালিশহরের কোনা গ্রামে। দানশীলা, তেজস্বী রানী রাসমণিই ১৮৫৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি। শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দক্ষিণেশ্বরে পুরোহিত হয়ে এসেছিলেন। রানী রাসমণিই ইংরেজ কোম্পানীর কাছ থেকে জেলেদের বিনাশুল্কে মাছ ধরার ব্যবস্থা চালু করেছিলেন যে নিয়ম আজও বর্তমান। তাঁর জীবনাবসান হয় ১৮৬১ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারী।

রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কে ছিলেন?

শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ছিলেন এক যুগাবতার মহাপুরুষ। তাঁর আগের নাম ছিল গদাধর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর জন্ম হয় ১৮৩৩ সালে। মহীয়সী রানী রাসমণির অনুরোধে তিনি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে সেবাইতের কাজ ‘গ্রহণ করেন। তাঁর কাছে সব মানুষেরই ছিল সমান অধিকার। ১৮৮৬ সালে তাঁর মহাপ্রয়াণ হয়। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর প্রধান শিষ্য।

রণজিৎ সিংজী কে?

রণজিৎ সিংজী বিখ্যাত ভারতীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়। তিনি ইংল্যান্ড দলেও নির্বাচিত হন। তাঁরই সম্মানে রঞ্জি ট্রফি খেলা হয়। জীবনকাল ১৮৬২-১৯৩৩।

রোমাঁ রঁল্যা কে?

রোমাঁ রল্যা ছিলেন বিখ্যাত ফরাসী সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮৬৬-১৯৪৪। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল দশ খণ্ডে লেখা ‘জাঁ ক্রিস্তফ’। তিনি ১৯১৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

রঁদ্যা কে?

রঁদ্যা একজন বিশ্ববিখ্যাত ভাস্কর। তাঁর জন্ম হয় ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দের ১২ই নভেম্বর ফ্রান্সের প্যারী শহরে। দারিদ্র্যের মাঝখানেই কেটেছিল রঁদ্যার বাল্যজীবন। তিনি ব্রোঞ্জ ও পাথরে অসামান্য ও উৎকৃষ্ট নানা ভাস্কর্য গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর তৈরি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নিদর্শন হল ‘দি থিঙ্কার’, ‘আদম’, ‘দি ব্রোকেন লিলি’ ইত্যাদি। রঁদ্যার মৃত্যু হয় ১৯১৭ সালের ১৭ই নভেম্বর।

রেমব্র্যান্ট কে?

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম চিত্রশিল্পীদের মধ্যে রেমব্র্যান্ট একজন। তাঁর জন্ম হল্যান্ডের লেডেন নগরে ১৬০৬ সালের ১৫ই জুলাই। শিশু বয়স থেকেই ছবি আঁকায় তাঁর প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। তাঁর বিখ্যাত ছবি ‘বালসাজারের ভোজসভা’। দারিদ্র্যের মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয় ১৬৬৯ সালে।

রোনাল্ড রস কে?

রোনাল্ড রস ছিলেন একজন ইংরাজ চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী। তিনিই কলকাতার তৎকালীন পি. জি. হাসপাতালে গবেষণায় ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কার করেন। সে জন্য ১৯০২ সালে তিনি নোবেল পুরষ্কার পান। জীবনকাল ১৮৫৭-১৯৩২।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে ছিলেন?

কবি এবং চিন্তা ও শিক্ষাবিদ। জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে তাঁর জন্ম হয় ২৫শে বৈশাখ ১২৬৮। পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। শান্তিনিকেতনের শিক্ষাব্যবস্থা তাঁর অনন্য কীর্তি। ‘গীতাঞ্জলি’ রচনার জন্য ১৯১৩ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। উপন্যাস, ছোটগল্প, সঙ্গীত সর্বত্রই ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। জালিয়ানওয়ালাবাগে গুলি চালনার ঘটনার প্রতিবাদে তিনি ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেন। মহাপ্রয়াণ ২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮ সাল।

রবার্ট লুই স্টিভেনসন কে?

রবার্ট লুই স্টিভেনসন ছিলেন স্কটল্যান্ডের বিখ্যাত সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮৫০-৯৪। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ট্রেজার আইল্যান্ড।’

রোমেল কে ছিলেন?

ফিল্ড মার্শাল আরউইন রোমেল ছিলেন বিখ্যাত জার্মান সেনাপতি। আফ্রিকায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর নাম হয় ‘মরুভূমির শৃগাল’। জন্ম ১৮৯১। হিটলার বিরোধিতার জন্য তাঁকে আত্মহত্যা করতে হয় ১৯৪৪ সালে। শত্রুপক্ষেরও তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। ট্যাঙ্কের যুদ্ধে তিনি অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন।

রকফেলার কে?

জন ডি. রকফেলার ছিলেন মার্কিনী ধনপতি। দানশীলতার জন্য তিনি সুপরিচিত ছিলেন। জীবনকাল ১৮৩৯-১৯৩৭। তাঁরই নামে রকফেলার ফাউন্ডেশান।

রোলিলাহিয়া ম্যান্ডেলা কে?

রোলিলাহিয়া নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তী স্বাধীনতা সংগ্রামী। টেম্বু উপজাতীয় নেতার পুত্র। জন্ম ১৯১৮। দীর্ঘ ২৭ বছর কারারুদ্ধ ছিলেন। সারা পৃথিবী একদিন তার মুক্তির দাবী জানিয়েছিল। তিনি পরে স্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট হন।

রবিশঙ্কর কে?

ভারতীয় সেতার-শিল্পী পণ্ডিত রবিশঙ্কর। জন্ম ১৯২০। পাশ্চাত্য জগতে ভারতীয় যন্ত্রসঙ্গীতকে তিনি প্রভূত জনপ্রিয় করেছেন। তিনি নৃত্যশিল্পী উদয়শঙ্করের ভাই। সেতার ও সরোদে তিনি সমান পারদর্শী ও নতুন ধারার প্রবর্তক।

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি কে?

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন (১৪৫১-১৫১৯ খ্রীষ্টাব্দের) ইতালীয় শিল্পী ও বিজ্ঞানী। শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য, গণিত, ভাস্কর্য, শারীরবিদ্যা সব কিছুতেই ছিল তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য। তাঁর বিখ্যাত ছবি হল ‘মোনালিসা’ ও ‘লাস্ট সাপার’। বিমানের কল্পনা লিওনার্দোর মাথাতেই প্রথম খেলেছিল।

ল্যাভয়সিয়ে কে ছিলেন?

ল্যাভয়সিয়ে ছিলেন ফরাসী রসায়ন বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৭৪৩-৯৪। তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন দহন রাসায়নিক ক্রিয়া। অক্সিজেন তাঁরই আবিষ্কার। ফরাসী বিপ্লবের সময় এই বিখ্যাত বিজ্ঞানী প্রাণ হারান।

লিও টলস্টয় কে ছিলেন?

কাউন্ট লিও নিকোলায়েভিচ টলস্টয় ছিলেন রুশ সাহিত্যিক ও দার্শনিক। জীবনকাল ১৮২৮-১৯১০। অভিজাত পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে তিনি অংশ নেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘অ্যানা কারেনিনা’ ও ‘ওয়ার অ্যান্ড পীস’।

লিভিংস্টোন কে?

ডেভিড লিভিংস্টোন ছিলেন বিখ্যাত স্কটিশ অভিযানকারী। জীবনকাল ১৮১৩-৭৩। আফ্রিকায় তিনি জাম্বেসী নদী ও ভিক্টোরিয়া প্রপাত আবিষ্কার করেন এক সময় তিনি দাসপ্রথার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলেন। প্রথমে নিরুদ্দেশ মনে হলেও ১৮৭১-এর ১০ই নভেম্বর স্ট্যানলী তাঁকে খুঁজে পান।

লেনিন কে ছিলেন?

লেনিন ছিলেন রুশ বিপ্লবের পুরোধা জনপ্রিয় কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা ও রাষ্ট্র নায়ক। তাঁর আসল নাম ছিল ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ জারের হাত থেকে সাবেক রাশিয়াকে মুক্ত করে এবং সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর লেনিনই সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ১৯১৭ সালে। জীবনকাল ১৮৭০-১৯২৪। তাঁর দেহ মস্কোর রেড স্কোয়ারে সমাহিত আছে।

লুই পাস্তুর কে ছিলেন?

লুই পাস্তুর ছিলেন ফরাসী রসায়নবিদ। জীবনকাল ১৮২২-৯৫। মদে পচন ধরার বিষয়ে গবেষণা করতে গিয়ে পাস্তুর দেখতে পান কিছু ব্যাকটিরিয়া এজন্য দায়ী, ১২০ ডিগ্রী তাপে যা বাঁচে না। এরই পর তিনি খাদ্যের জীবাণু মুক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন যার নাম পাস্তুরাইজেসান। এ ছাড়াও পাস্তুর জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধকও আবিষ্কার করেন। পাস্তুর ছিলেন অসামান্য মানব-দরদী এক ব্যক্তিত্ব।

লুইগি পিরানদেল্লো কে?

লুইগি পিরানদেল্লো ফরাসী নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। জীবনকাল ১৮৩০-১৯০৩। তাঁর বিখ্যাত নাটকের নাম ‘সিক্স ক্যারেকটার্স ইন সার্চ অব অ্যান অথর’। সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৩৪ সালে।

লু সুন কে ছিলেন?

লু সুন ছিলেন চীনের আধুনিক সাংস্কৃতিক বিপ্লবের এক সৈনিক। তিনি আধুনিক চীনা সাহিত্যেরও পথিকৃৎ। জীবনকাল ১৮৮১-১৯৩৬। তিনি বেশ কিছু ছোট গল্প রচনা করে গেছেন। তাঁর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ হল ‘এক পাগলের ডায়ারী’। ‘আ কিউ’ তাঁর অন্যতম বিখ্যাত রচনা।

লুই ব্রেইল কে?

লুই ব্রেইল ছিলেন একজন দরদী শিক্ষাব্রতী। তিনি ছিলেন দৃষ্টিহীন। উঁচু কিছুর সাহায্যে স্পর্শের মাধ্যমে দৃষ্টিহীনদের শিক্ষাব্যবস্থার তিনিই জনক। তাঁর জীবনকাল ১৮০৯-১৯৫২।

লরেন্স অব অ্যারাবিয়া কে?

লরেন্স অব অ্যারাবিয়া বলা হয় টমাস এডোয়ার্ড লরেন্সকে। জন্ম ১৮৮৮, মৃত্যু ১৯৩৫। বৃটিশ সৈনিক হিসেবে তিনি আরবদের পক্ষে ২য় বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তাঁর বিখ্যাত বই হল ‘দি সেভেন পিলারস্ অব উইজডম’। আরবদের জন্য তিনি প্রাণপাত করেন।

লরেল ও হার্ডি কে?

স্ট্যান লরেল (জীবনকাল ১৮৯০-১৯৬৫) ও অলিভার হার্ডি (১৮৯২-১৯৫৭) ছিলেন হলিউড চিত্র জগতের, সবার প্রিয় শ্রেষ্ঠতম হাস্যরসিক কমেডিয়ান জুটি। সারা পৃথিবীতে সবার প্রিয় ছিলেন লরেল ও হার্ডি। বিখ্যাত ছবি হল ‘চ্যাম্পস অ্যাট অক্সফোর্ড’, ‘অ্যাটল কে’, ‘বনি স্কটল্যান্ড’ ইত্যাদি।

লিস মিটনার কে?

লিস মিটনার এক প্রতিভাময়ী জার্মান ইহুদী বিজ্ঞানী। ইহুদীদের উপর নাৎসী অত্যাচারের ফলে মিটনার সুইডেনে পালিয়ে যান। ইউরেনিয়ম পরমাণু ‘ফিসান’ এর প্রক্রিয়া তারই আবিষ্কার। জন্ম ১৮৭৮ সালে, প্রয়াণ ১৯৬৯ সালে। পরমাণু বোমা তৈরিতে তার দান অসামান্য।

লতা মঙ্গেশকর কে?

কিন্নর কণ্ঠী লতা মঙ্গেশকর ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। প্রধানত চলচ্চিত্রে নেপথ্য শিল্পী হিসেবেই তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি একজন মারাঠি। তাঁর রেকর্ড সংখ্যা অসংখ্য। বর্তমানে বিশ্বে রেকর্ড বিক্রির রেকর্ড তাঁরই। জন্ম ১৯২৮ সালে।

লুই ক্যারল কে?

লুই ক্যারল ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরাজ সাহিত্যিক ও গণিতজ্ঞ। তাঁর জন্ম ১৮৩২ সালে। তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’। তাঁর আসল নাম ছিল চার্লস লাটউইন ডজসন। লুই ক্যারল তাঁর ছদ্মনাম। তাঁর মৃত্যু হয় ১৮৯৮ সালে। শিশু সাহিত্য হিসাবে ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। পৃথিবীর নানা দেশের ভাষায় বইটি অনূদিত হয়।

লালা লাজপত রায় কে ছিলেন?

লালা লাজপত রায় একজন প্রখ্যাত ভারতীয় স্বাধীনতাকামী বিপ্লবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরাজ সরকার দেশ থেকে বহিষ্কার করায় দীর্ঘকাল তিনি আমেরিকায় ছিলেন। তার জন্ম ১৮৬৫ সালে। ১৯২৮ সালে তিনি সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করে এক মিছিলের নেতৃত্ব প্রদান করেন। পুলিশ নির্মমভাবে লাঠি চার্জ করায় লালা লাজপত রায় গুরুতর ভাবে আহত হন। ওই আঘাতের ফলেই তাঁর ১৯২৮ সালে মৃত্যু হয়।

বার্ট্রান্ড রাসেল কে?

বাট্রান্ড রাসেল বিখ্যাত ইংরাজ দার্শনিক, গণিতজ্ঞ ও প্রাবন্ধিক। জীবনকাল ১৮২৭-১৯৭০। উদার মতবাদ ও চারিত্রিক দৃঢ়তার জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর লিখিত বইয়ের সংখ্যা ৬০। তাঁর বিখ্যাত বই ‘অ্যানালিসিস অব মাইন্ড’, ‘প্রিন্সিপল অব ম্যাথেমেটিক্স’। সাহিত্যে তিনি নোবেল পুরস্কার পান ১৯৫০ সালে।

বিধানচন্দ্র রায় কে ছিলেন?

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ও রাজনৈতিক নেতা। চিকিৎসা বিদ্যায় ‘অসাধারণ পারদর্শিতার জন্য তিনি বিদেশেও খ্যাতি লাভ করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পশ্চিম বাঙলার মুখ্যমন্ত্রী হন। পশ্চিম বাঙলার উন্নতির জন্য তিনি প্রচুর জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা করেন। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা ও চিত্তরঞ্জন রেল এঞ্জিন কারখানা তাঁরই চেষ্টায় হয়। জন্ম ১৮৮২, মৃত্যু ১৯৬২। তাঁর জন্ম ও মৃত্যু একই দিনে, ১লা জুলাই।

বিজয় মাধবজী মার্চেন্ট কে?

বিজয় মাধবজী মার্চেন্ট বা বিজয় মার্চেন্ট ভারতের একজন বিখ্যাত ক্রিকেট খেলোয়াড়। তিনি বহুবার ভারতের অধিনায়কও হন। বহুবার শতরানও করেন। তিনি সাধারণত প্রথম জুটিতে খেলতে নামতেন। জন্ম ১৯১১ সালে। মৃত্যু ১৯৮৭।

বেনিতো মুসোলিনী কে?

বেনিতো মুসোলিনী ছিলেন ১৯২২-৪৩ পর্যন্ত ইতালির ফ্যাসিস্তপন্থী ডিক্টেটর। জীবনকাল ছিল ১৮৮৩-১৯৪৫। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি নাৎসী জার্মানীর পক্ষ অবলম্বন করেন। ১৯৪৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালানোর মুখে তিনি ও তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী ক্লারা পেতাচ্চি দেশপ্রেমীদের হাতে নিহত হন। এর আগে হিটলার, তাকে উদ্ধার করেছিলেন। তিনি ছিলেন উগ্র ফ্যাসিবাদের জনক। তার উপাধি ছিল ডুচি।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কে?

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা তথা ভারতীয় সাহিত্যের একজন দিকপাল ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। তিনিই বন্দেমাতরম মন্ত্রের উদগাতা। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’, ‘দুর্গেশ নন্দিনী’, ‘রাজসিংহ’, ‘কপালকুণ্ডলা’। তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনাও করেছিলেন। জীবনকাল ১৮৩৮-১৮৯৪।

শার্লিমেন কে ছিলেন?

শার্লিমেনকে ‘চার্লস দা গ্রেট’ও বলা হয়। জীবনকাল ৭৪২-৮১৪ খ্রীষ্টাব্দ। তিনি গল, ইতালি, স্পেন ও জার্মানীর সম্রাট। পবিত্র রোম সাম্রাজ্যর পুনরুত্থান তাঁরই সময় হয়।

শাহজাহান কে?

শাহজাহান মোগল সাম্রাজ্যের সম্রাট। জীবন কাল ১৬২৮-৫৯। তাঁর রাজত্বকাল জাঁকজমকের জন্য বিখ্যাত। বেগম মমতাজের স্মৃতিতে তিনিই তৈরি করান বিশ্ববিখ্যাত সৌধ তাজমহল।

শিবাজী কে?

ছত্রপতি শিবাজী ছিলেন মারাঠী বীর ও মারাঠা সম্রাট। তিনি ছিলেন এক আদর্শ শাসক। মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের হাতে বন্দী হওয়ার পর তিনি কৌশলে আগ্রা থেকে পালিয়েছিলেন। ১৬৭৪ খ্রীষ্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন। শিবাজীর জন্ম ১৬২৭ খ্রীষ্টাব্দে, মৃত্যু ১৬৮০।

শের শাহ কে?

শের শাহ ছিলেন দিল্লীর আফগান সুলতান। মোগল সম্রাট হুমায়ূনকে পরাস্ত করে তিনি দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন। প্রথম জীবনে তাঁর নাম ছিল ফরিদ খাঁ। শাসক হিসেবে তিনি অসাধারণ ছিলেন। তিনি ডাক-ব্যবস্থা চালু করেন ও গ্র্যান্ড ট্র্যাঙ্ক রোড নামে দেড় হাজার ক্রোশ দীর্ঘ রাজপথ তৈরি করেন। শের শাহের মৃত্যু হয় ১৫৪৫ সালে কালিঞ্জর দুর্গের বিস্ফোরণে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কে?

বাংলা সাহিত্যের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কথা-সাহিত্যিক- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯০৩ সালে। শরৎচন্দ্রের প্রথম জীবন কাটে ব্রহ্মদেশে বর্তমান মায়নামারে। তাঁর কাহিনীতে নারীর জীবনযন্ত্রণা আর মহত্ব ফুটে উঠেছে। তার শ্রেষ্ঠ রচনা ‘শ্রীকান্ত’, ‘পথের দাবী’, ‘চরিত্রহীন’, ‘বড়দিদি’ ইত্যাদি। বিশ্বসাহিত্যে ছোটগল্পেও তাঁর তুলনা বিরল। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৩৮ সালে।

শ্রীনিবাস রামানুজম কে?

শ্রীনিবাস রামানুজম একজন বিশ্ববিখ্যাত ভারতীয় গণিত শাস্ত্রবিদ। সংখ্যাতত্ত্ব, বীজগণিত, অমৌলিক সংখ্যা সম্পর্কে তাঁর গবেষণা বিখ্যাত। জন্ম ১৮৮৭ সালে, মৃত্যু মাত্র ৩৩ বছর বয়সে ১৯২০ সালে। তিনি রয়‍্যাল সোসাইটির সদস্য হন।

শচীন তেণ্ডুলকার কে?

শচীন তেণ্ডুলকার বর্তমানে ক্রিকেটে বিশ্বের সর্বসেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি ১০০০ রান করেন। শচীন তেণ্ডুলকারের জন্ম ১৯৭৩ সালে মুম্বাইতে।

টেস্ট খেলায় তাঁর মোট রান ৫১৭৭, শতরান ২০টি। একদিনের ক্রিকেটে মোট রান ৮০৫৪, শতরান ২২টি। তিনি বর্তমানে ভারতের অধিনায়কও।

সক্রেটিস কে?

সক্রেটিস ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক ও পণ্ডিত। জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৪৭০-৩৯৯। তাঁর প্রধান শিষ্য ছিলেন প্লেটো। যুবকদের কুশিক্ষাদানের অভিযোগে তাঁকে হেমলক নামের বিষ পান করে মৃত্যুবরণ করতে হয়।

সফোক্লিস কে ছিলেন?

সফোক্লিস খ্রীষ্টপূর্ব (৪৯৫-৪০৬) বিখ্যাত এথেনীয় নাট্যকার। তিনি প্রায় শতাধিক নাটক লিখেছিলেন। তাঁর রচনা আজও সমান জনপ্রিয়। এঁর মধ্যে বিখ্যাত হল ‘রাজা ওয়াদিপাউস’, ‘ইলেক্ট্রা’।

স্যান্দ্রো বতিচেল্লী কে?

স্যান্দ্রো বতিচেল্লী একজন প্রখ্যাত ইতালীর চিত্রশিল্পী। তিনি ফ্রা লিপ্পো লিপ্পির অধীনে কাজ করেন। তাঁর বিখ্যাত ছবি হল ‘ভেনাসের জন্ম’। জীবনকাল ১৪৪৫-১৫১০।

সার্ভেন্টিস কে?

সার্ভেন্টিস ছিলেন বিখ্যাত স্পেনীয় ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। জীবনকাল ১৫৪৭-১৬১৬। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘ডন কুইক্সোট’। এতে ডন কুইক্সোট ও তার চাকর সাস্কোপাঞ্জার কাহিনী আছে।

স্ট্যানলী কে?

স্ট্যানলী ছিলেন একজন খ্যাতনামা দেশ আবিষ্কারক। পুরো নাম স্যর হেনরি মর্টন স্ট্যানলী। তিনি আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধেও লড়াই, করেন। বিখ্যাত আবিষ্কারক লিভিংস্টোনকে খুঁজে পাওয়ার দায়িত্ব নিয়ে তিনি আফ্রিকা যান ও ১৮৮১ সালে তাঁকে উজিজিতে খুঁজে পান ও টাঙ্গানাইকা হ্রদ আবিষ্কার করেন। জীবনকাল ১৮৪১- ১৯০৪।

স্বামী বিবেকানন্দ কে ছিলেন?

স্বামী বিবেকানন্দের প্রকৃত নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত। ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন এ যুগের মানবতা ও তেজস্বিতার শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা। শ্রীরামকৃষ্ণের তিনিই ছিলেন প্রিয়তম শিষ্য। আমেরিকার শিকাগোয় ধর্ম মহাসম্মেলনে তিনি হিন্দু ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন তিনিই স্থাপন করেছিলেন। তাঁর দেহাবসান হয় ১৯০২ সালে। তাঁর রচনার সংখ্যা অনেক। এর মধ্যে আছে ‘জ্ঞানযোগ’, ‘ভক্তিযোগ’ ইত্যাদি।

সিস্টার নিবেদিতা কে?

সিস্টার নিবেদিতা ছিলেন এক আইরিশ মহিলা, নাম মার্গারেট ই. নোবল। তিনি স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা হন। তাঁর লেখার হাতও চমৎকার ছিল। বিখ্যাত রচনা ‘দি মাস্টার অ্যাজ আই স হিম’।

স্পিনোজা কে ছিলেন?

স্পিনোজা ছিলেন বিখ্যাত ডাচ দার্শনিক। জীবনকাল। ১৬৩২-৭৭। তাঁর মতবাদ প্রকাশিত হয় ‘এথিকস’-এ।

সোপেনহাওয়ার কে?

সোপেনহাওয়ার ছিলেন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৭৮৮-১৮৬০। তাঁর বিখ্যাত মতবাদ হল ‘ইচ্ছাশক্তি জ্ঞানের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’।

স্কট কে?

স্কট ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ মেরু আবিষ্কারক। জীবনকাল ১৮৬৮-১৯১২। দক্ষিণ মেরুতে ১৯১২ সালে তুষার ঝড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

সিরাজউদ্দৌল্লা কে ছিলেন?

সিরাজউদ্দৌল্লা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। জীবনকাল ১৭৩৭-১৭৫৭। ১৭৫৬ সালে তিনি কলকাতা আক্রমণ করেছিলেন। মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় তিনি পলাশীর যুদ্ধে ১৭৫৭ সালে পরাজিত হন ও পরে নিহত হন। এর পরেই প্রকৃতপক্ষে ইংরাজ শাসন শুরু হয়।

সিগমুন্ড ফ্রয়েড কে?

সিগমুন্ড ফ্রয়েড ছিলেন বিখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ ও মনোবিকলনের আবিষ্কর্তা। জীবনকাল ১৮৫৬-১৯৩৯। তিনি ভিয়েনা থেকে নাৎসীদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে লন্ডনে চলে যান, সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মন সম্পর্কে তাঁর গবেষণা এক নতুন দিগন্তের দ্বার খুলে দেয়।

সান ইয়াট সেন কে ছিলেন?

সান ইয়াট সেন ছিলেন চীনের একজন আদর্শবাদী বিপ্লবী নেতা। জীবনকাল ১৮৬৭-১৯২৫। ১৯১১ সালে তিনি মাঞ্জু শাসন উৎখাত করে প্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর প্রেসিডেন্ট হন।

স্ট্যালিন কে ছিলেন?

স্ট্যালিন ছিলেন রাশিয়ার বিখ্যাত বিপ্লবী নেতা ও লেনিনের সহকারী। তাঁর আসল নাম ছিল যোশেফ ভিসারিওনোভিচ। জীবনকাল ১৮৭৯-১৯৫৩। ত্রিশ বছর তিনি একচ্ছত্র নেতৃত্বে ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাঁরই নেতৃত্বে রাশিয়া জয়ী হয়।

সুভাষচন্দ্র বসু কে?

সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদী নেতা। জন্ম ১৮৯৭ সালে কটকে। তিনি দুবার কংগ্রেস সভাপতি হন। শেষ পর্যন্ত মতবিরোধ হওয়ায় তিনি ফরওয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় তিনি গোপনে ছদ্মবেশে কলকাতা থেকে ১৯৪১ সালের ৭ই জানুয়ারী কাবুল হয়ে জার্মানী যান। পরে ১৯৪৩ সালের ১৩ই জুন জাপানে গিয়ে আই. এন. এ. বা আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি ‘নেতাজী’ আখ্যা লাভ করেন। ভারত অভিযান করার পর আজাদ হিন্দ সেনা কোহিমায় পৌঁছায়। তাইহকুতে বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয় বলা হলেও তা প্রমাণিত নয়।

সেলম্যান এ. ওয়াকসম্যান কে?

সেলম্যান এ. ওয়াকসম্যান ছিলেন বিখ্যাত মার্কিনী জীবাণু বিজ্ঞানী। জন্ম ১৮৮৮। তিনি স্ট্রেপটোমাইসিন আবিষ্কার করেন।

সত্যেন্দ্রনাথ বোস কে?

সত্যেন্দ্রনাথ বোস বিখ্যাত বাঙালি তথা ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী। জন্ম ১৮৯৪। তিনি বিখ্যাত গণিতজ্ঞ ছিলেন। তাঁর গবেষণার ফলশ্রুতিতে প্রচার হয় আইনস্টাইনের সঙ্গে ‘বোস-আইনস্টাইন’ থিয়োরি। তাঁরই নামে নামকরণ হয় ‘বোসন কণা’। তিনি জাতীয় অধ্যাপক হন। তাঁর মৃত্যু হয় ১৯৭৪ সালে।

সুব্রহ্মনিয়ম চন্দ্রশেখর কে?

সুব্রহ্মনিয়ম চন্দ্রশেখর জন্মসূত্রে ভারতীয়, ইংল্যান্ড প্রবাসী এক প্রখ্যাত পদার্থ জ্যোতির্বিজ্ঞানী। জন্ম ১৯০১ সালে। তিনি আবিষ্কার করেন ‘চন্দ্রশেখর সীমা’, যা কোন ‘শ্বেতবামন’ তারার সর্বোচ্চ ভর। ১৯৮৬ সালে এজন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ কে?

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ ভারতের বিখ্যাত একজন দার্শনিক ও রাজনীতিক। জীবনকাল ১৮৮৮-১৯৭৫। তিনি ১৯৬২- ৬৭ পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৪৯ সালে তিনি ‘ইউনেসকোর’ চেয়ারম্যান হন। দর্শন ও নানা বিষয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা অনেক।’

স্টিফেন স্পিলবার্গ কে?

স্টিফেন স্পিলবার্গ বিশ্বের একজন জনপ্রিয়তম ও বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক। তার জন্ম ১৯৪৭ সালে আমেরিকায়। তার বিখ্যাত ছবি হল ‘জম’ (১৯৭৫) ‘ইটি’ (১৯৮৩), ‘জুরাসিক পার্ক’ (১৯৯৩)। ‘শিন্ডলার্স লিস্ট’ (১৯৯৭), ‘সেভিং প্রাইভেট রায়ন’ (১৯৯৮) ইত্যাদি। তিনি প্রচুর অস্কার পুরস্কার পান।

সমরসেট মম কে ছিলেন?

সমরসেট মম ছিলেন জনপ্রিয় ইংরাজ সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮৭৪-১৯৬৫। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘মুন অ্যান্ড দি সিক্স পেন্স’, ‘অফ হিউম্যান বন্ডেজ’।

সত্যজিত রায় কে?

সত্যজিত রায় হলেন বিশ্ববিখ্যাত বাঙালি তথা ভারতীয় চিত্রপরিচালক। তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিত্র- পরিচালকের সম্মান অর্জন করেছেন। তাঁর জন্ম হয় ১৯২১ সালে। ১৯৫৫ সালে তাঁর ‘পথের পাঁচালী’ ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠা করে। সাহিত্য রচনাতেও তাঁর দক্ষতা অসামান্য। তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ফেলুদাও খ্যাতি অর্জন করেছে। তিনি বহুবার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরী মনোনীত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যু ১৯৯২ সালে। তিনি চলচ্চিত্রে অস্কার পুরস্কার ও ফ্রান্সের সর্ব্বোচ্চ সম্মান ‘লিজিয়ন অব অনারে’ও ভূষিত হন।

সুনীল গাভাসকার কে?

সুনীল মনোহর গাভাসকার ভারত ও বিশ্বের ক্রিকেট জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ওপেনিং ব্যাটসম্যান। টেস্টে সর্বোচ্চ রান ও সর্বাধিক সেঞ্চুরীর রেকর্ড সুনীল গাভাসকারেরই ছিল। টেস্টে তাঁর মোট রান ৩৪টি সেঞ্চুরী সহ ১০,১২২। জন্ম ১৯৪৯ সালে। অস্ট্রেলিয়ার অ্যালান বর্ডার তাঁর মোট রানের রেকর্ড ভেঙে দেন। বর্ডারের রান ১১,১৭৪।

স্টিফেন হকিং কে?

স্টিফেন হকিং একজন খ্যাতনামা জ্যোতি পদার্থবিদ আর বিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত স্নায়ু বৈকল্যের শিকার। তিনি ভাবপ্রকাশ করেন তার সর্বক্ষণের সঙ্গী কম্পিউটারের মাধ্যমে। তাঁর জন্ম ১৯৪২ সালে। তার লেখা ‘এ ব্রিফ হিস্টরি অব টাইম’ বিক্রি হয় ৫৫ লক্ষ কপি।

সলিম আলি কে?

সলিম আলি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় পক্ষিবিদ। পাখিদের সম্পর্কে আজীবন তিনি গবেষণা করে গেছেন। জন্ম ১৮৯৭। মৃত্যু ১৯৮৮। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন ও বহু বই রচনা করেন।

হেরোডোটাস কে ছিলেন?

হেরোডোটাস ছিলেন গ্রীক ঐতিহাসিক। তাঁর জীবনকাল ছিল ৪৮৫-৪২৫ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ। তাঁকেই ইতিহাসের সৃষ্টিকর্তা বলা হয়।

হিপোক্রেটিস কে?

হিপোক্রেটিস ছিলেন বিখ্যাত গ্রীক চিকিৎসক। তাঁর জীবনকাল ছিল ৪৬০-৩৭০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ। হিপোক্রেটিসই চিকিৎসাশাস্ত্রকে কুসংস্কার থেকে আলদা করেছিলেন। তাঁকেই চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক বলা হয়।

হ্যানিবল কে?

হ্যানিবল ছিলেন বিখ্যাত কার্থেজ সেনাপতি। জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ২৪৭-১৮২ অব্দ। তিনি রোমানদের পরাজিত করেন। হাতিসহ তিনি পার হন আল্পস পর্বত। সহযোগীদের ঈর্ষায় তিনি আত্মহননের পথ গ্রহণ করেন।

হোমার কে?

হোমার ছিলেন গ্রীক মহাকবি। তাঁর জীবনকাল খ্রীষ্টপূর্ব ৮ম শতাব্দী। তাঁর রচিত দুটি মহাকাব্যের নাম ‘ইলিয়াড’ ও ‘অডিসি’।

হিউয়েন সাঙ কে ছিলেন?.

হিউয়েন সাঙ ছিলেন বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক। ৬৩০ খ্রীষ্টাব্দে তিনি হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে আসেন। তাঁর লিখিত বিবরণ থেকে সেকালের ভারতের নানা বিষয় জানা যায়।

হারুণ অল রসিদ কে ছিলেন?

হারুণ অল রসিদ ছিলেন বাগদাদের ৫ম খলিফা। বিখ্যাত ‘অ্যারাবিয়ান নাইটস’-এর কাহিনী তাঁর সম্পর্কেই কয়েক শতাব্দী পরে গ্রথিত হয়। জীবনকাল ৭৬৩-৮০৯ খ্রীষ্টাব্দ।

হ্যানিম্যান কে ছিলেন?

হ্যানিম্যান ছিলেন বিখ্যাত জার্মান চিকিৎসক। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৭৫৫-১৮৪৩। তিনিই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। সদৃশবিধান নীতিই এর মূল।

হেনরী ক্যাভেন্ডিস কে ছিলেন?

হেনরী ক্যাভেন্ডিস ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৭৩১-১৮১০। গ্যাসীয় পদার্থ নিয়ে তিনি গবেষণা করেন। হইড্রোজেন গ্যাস ও জলের গঠন তাঁরই আবিষ্কার।

হার্সেল কে?

হার্সেল অর্থাৎ উইলিয়াম হার্সেল বিখ্যাত জার্মান জ্যোতির্বিদ। তিনি ইংলন্ডে বাস করতেন। জীবনকাল ১৭৩৮-১৮২২। ইউরেনাস গ্রহ তাঁরই আবিষ্কার।

হাফিজ কে ছিলেন?

হাফিজ ছিলেন বিখ্যাত পারস্যদেশীয় কবি। জীবনকাল চোদ্দ শতক। তাঁর প্রধান রচনাই হল ‘গজল’ নামে চতুর্দশপদী গীতিকবিতা।

হেইনরিখ ইবসেন কে?

হেইনরিখ ইবসেন ছিলেন নরওয়ের বিখ্যাত নাট্যকার। জীবনকাল ১৮২৬-১৯০৬। সামাজিক সমস্যা নিয়ে রচিত তাঁর নাটকের আবেদন আজও অটুট। তাঁর বিখ্যাত নাটক হল ‘ঘোস্টস্’, ‘ডলস্ হাউস’, ‘দি ওয়াইল্ড ডাক’ ইত্যাদি।

হাউডিনি কে?

হ্যারী হাউডিনি ছিলেন বিখ্যাত আমেরিকান যাদুকর। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৮৭৪-১৯২৬। হাতকড়া বদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া তাঁর বিখ্যাত খেলা। এ বিষয়ে তাঁর সুনাম ও খ্যাতির জন্যই ইংরেজিতে ‘হাউডিনাইজ’ কথাটির প্রচলন হয়।

হেনরী ডেভিড থোরো কে ছিলেন?

হেনরী ডেভিড থোরো ছিলেন বিখ্যাত আমেরিকান প্রাবন্ধিক ও প্রকৃতি-প্রেমিক। সমাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তিনি একা জীবন কাটান। তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘ওয়ালডেন’। জীবনকাল ১৮১৭-৬২।

এইচ. জি. ওয়েলস কে?

হার্বার্ট জর্জ ওয়েলস ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ সাহিত্যিক। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৮৬৬-১৯৪৬। জুল ভের্নের মত তাঁর অসংখ্য কল্পকাহিনী প্রচুর সুনাম অর্জন করে। তাঁর বিখ্যাত বই হল ‘দি ওয়ার অব দা ওয়ার্ল্ডস্’, ‘দি ইনভিজিবল ম্যান’ ‘দি টাইম মেশিন’ ইত্যাদি।

হেনরী রাইডার হ্যাগার্ড কে?

হেনরী রাইডার হ্যাগার্ড ছিলেন বিখ্যাত ইংরাজ সাহিত্যিক। জীবনকাল ১৮৫৬-১৯২৫। তাঁর বিখ্যাত রচনা হল ‘শী’, ‘কিং সলেমনস্ মাইনস্’ ‘ক্লিওপেট্রা’

হেইনরিখ নীলস বোর কে?

হেইনরিখ নীলস বোর ছিলেন ড্যানিশ পরমাণু বিজ্ঞানী। জীবনকাল ১৮৮৫-১৯৬২। রাদারফোর্ডের সঙ্গে তিনি ‘কোয়ান্টাম থিয়োরী’ প্রচার করেন। তিনি পরমাণু কেন্দ্রর আকৃতিও আবিষ্কার করেন ও ১৯২২ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

হিন্ডেনবার্গ কে?

পল ফন হিন্ডেনবার্গ একজন জনপ্রিয় ও বিখ্যাত জার্মান সেনাপতি। জীবনকাল ১৮৪৭-১৯৩৪। ১৯১৪ সালে তিনি টনেনবার্গে রুশ বাহিনীকে পরাজিত করেন ও পরে তিনি জার্মান রাইখের প্রেসিডেন্ট হন ১৫২৫-৩৪।

হো চি মিন কে?

হো চি মিন ছিলেন উত্তর ভিয়েতনামের অসামান্য জনপ্রিয় বিপ্লবী নেতা। তিনি ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। জীবনকাল ১৮৯২-১৯৬৯। আমেরিকার সঙ্গে ভিয়েতনামের যুদ্ধে তিনি দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করেন।

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা কে?

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় পদার্থবিদ। তাঁর জন্ম হয় ১৯০৯ সালের ৩০শে অক্টোবর। দেশ ও বিদেশে তিনি প্রচুর সম্মান অর্জন করেন। ভারতের পরমাণু গবেষণা ও শক্তি সংস্থা গঠিত হওয়ার পর ভাবাই হন তার সভাপতি। ভারতে পরমাণু গবেষণার তিনিই পথিকৃৎ। দুর্ভাগ্যের কথা ১৯৬৬ সালের ২৪শে জানুয়ারী ভিয়েনায় এক সভায় যাওয়ার সময় আল্পস পর্বতে বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।

হরগোবিন্দ খোরানা কে?

ডঃ হরগোবিন্দ খোরানা জন্মসূত্রে ভারতীয় ও আমেরিকান নাগরিক। জেনেটিক্সের গবেষণায় তিনি এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি এইজন্য নোবেল পুরস্কার পান। তিনি ডি. এন. এ. অণু সংশ্লেষ করেন।

হিরোহিতো কে।

হিরোহিতো হলেন জাপান সম্রাট। তাঁর জন্ম ১৯০১ সালে। তিনি সিংহাসনে বসেন ১৯২৬ সালে। জাপানীদের কাছে জাপ-সম্রাট একান্ত জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয়।

হেলেন কেলার কে?

হেলেন অ্যাডামস কেলার একজন আমেরিকান কৃতী মহিলা। মাত্র দু বছর বয়সে অন্ধ, বাকশক্তিহীনা ও বধির হয়েও অসীম মনোবলের সাহায্যে তিনি সাহিত্য রচনা ও অধ্যাপনায় খ্যাতি অর্জন করেন। জীবনকাল ১৮৮০- ১৯৬৮।

হেনরী ফোর্ড কে?

হেনরী ফোর্ড ছিলেন আমেরিকার বিখ্যাত ধনী ফোর্ড মোটর গাড়ি কোম্পানীর প্রধান। জীবনকাল ১৮৬৩- ১৯৪৭। সস্তা দামের মোটর গাড়ি তিনিই আবিষ্কার করেন। তাঁর টিন লিজা দারুণ জনপ্রিয় হয়। তাঁর নামে তৈরি হয় বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ি।

যুরি আলেক্সিভিচ গ্যাগারিন কে?

যুরি অ্যালেক্সিভিচ গ্যাগারিন ছিলেন রাশিয়া ও বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী মানুষ। ১২ই এপ্রিল ১৯৬১ তিনি মহাকাশ ভ্রমণ করে ফিরে আসেন। ১০৮ মিনিটে তিনি পৃথিবী পরিক্রমা করেছিলেন। দুঃখের কথা ১৯৬৮ সালে বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর জন্ম ১৯৩৪ সালে।

Leave a Comment